• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ ডিআইজির নগরকান্দায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ পাঁচ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার ১১ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, ৬ বিভাগে পদায়ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরের মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদে জন্মতারিখ সংশোধন সহজ করল ইসি ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন ক্ষতিসাধনে ১০ বছরের কারাদণ্ড

রাস্তায় দুধ ফেলে খামারিদের প্রতিবাদ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৫৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

২৬ জুন ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

নাটোরের সিংড়ায় দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় খামারিরা দুধ মাটিতে ঢেলে অভিনব প্রতিবাদ করেছে। শুক্রবার ও শনিবার সকালে বাহাদুরপুর বটতলা এলাকায় প্রায় ৩০ জন খামারী ৫০-৬০ লিটার দুধ ঢেলে বাড়িতে ফিরেন।

খামারিরা জানান, লকডাউনের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রামের বাজারগুলোতে দুধের দাম কমে যায়। প্রতি কেজি দুধ ২০ টাকা কেজি দরেও তারা বিক্রি করতে পারছেন না। এ অবস্থায় রাগে ক্ষোভে অর্ধশত খামারি তাদের উৎপাদিতে প্রায় ১০০ কেজি দুধ বাজারের রাস্তায় ফেলে দেন। এ সময় খামারিয়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় মিল্কভিটার মাধ্যমে দুধ ক্রয়ের দাবি জানান।

বাহাদুরপুর পুরানপাড়ার খামারি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ‘দুধের ন্যায্য দাম পাচ্ছি না। এই দুধ লিয়্যা আমরা কি করবো? তাই মনের দুখখে দুধ ঠাইল্যে ফেল্যাই দিছি।’

আরেক খামারি বাহাদুরপুর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা অনেক লস দিছি। গাভীর পোয়ারের দাম বাইড়্যে গেছে। কিন্তু দুধের দাম বাড়িচ্ছে না। এখন সরকার মুখ তুলে না তাকালে আমারেক মরত্যে হবি।’

জানা যায়, নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে প্রায় ৬০০টি গরুর খামার রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন বাজার ও হাট। এসব স্থানীয় হাট-বাজারে দুধ বিক্রি হয়। বাড়িতে পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মহাজনদের কাছে প্রতিদিন ৪০/৬০ লিটার একেকজন খামারী বিক্রি করতে আসেন। কিন্তু লকডাউনের কারনে বাজার মন্দা থাকায় মহাজন না আসলে দুধ নেওয়ার মত ক্রেতাও থাকে না। দুধ নিয়ে বাড়ি ফেরাও কষ্টের কারন হওয়ায় বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয় তাদের। এজন্য মিল্ক ভিটা গড়ে তোলার দাবি খামারিদের।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা. খুরশিদ আলম জানান, কলম, চামারী, হাতিয়ান্দহ এলাকায় বহু খামারি আছে। চামারী ও হাতিয়ান্দহতে বেসরকারি ভাবে প্রাণ ও আরং দুগ্ধ ক্রয় করে। শুক্রবার কিংবা অন্যান্য ছুটির দিন দুধ ক্রয় বন্ধ থাকে। তিনি আরো বলেন, ইটালী, ডাহিয়া ইউনিয়নে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুধ শীতলীকরণ অর্থাৎ ক্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন