• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ ডিআইজির নগরকান্দায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ পাঁচ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার ১১ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, ৬ বিভাগে পদায়ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরের মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদে জন্মতারিখ সংশোধন সহজ করল ইসি ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন ক্ষতিসাধনে ১০ বছরের কারাদণ্ড

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৯১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

৭ অলাখো পর্যটক ও পুণ্যার্থীর সমাগমের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বিসর্জন শেষ হয়েছে। আজ রোববার ঢাক ঢোল-বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, রং ছিটিয়ে ও আতশবাজি ফাটিয়ে ট্রাকে করে একে একে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

এ উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন শহর ও সৈকত এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকার মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে সৈকতমুখী হন পুণ্যার্থীরা।

প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সমুদ্রসৈকতের লাবণি পয়েন্টে তৈরি করা বিজয়া মঞ্চ। জেলা প্রশাসনের উন্মুক্ত মঞ্চে জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দুপুরের পর মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয়া দশমীর আলোচনা সভা হয়।

এতে বক্তব্য দেন–কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন। ছবি: আজকের পত্রিকা
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন। ছবি: আজকের পত্রিকা
এরপর সন্ধ্যায় দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন। এর মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে দুর্গোৎসবের।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শর্মা দীপ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলার ৯ উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা এবং আলীকদম উপজেলা থেকেও প্রতিমা এনে সৈকতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার জেলার নয়টি উপজেলায় ৩২১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপন হয়েছে। এর মধ্যে ১৫১টি প্রতিমা ও ১৭০টি ঘট পূজাক্টোবর ২০২৩, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন