• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নোবিপ্রবিতে Environmental Communication and Journalism কোর্সের অংশ হিসেবে ‘Sustainability Frontiers’ সেমিনার নোবিপ্রবির সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা হয়নি, সময় বাড়ানোর আবেদন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযানে মামলার সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার মাদকবিরোধী বার্তায় নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সমাবেশ রেলি জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী কাইচাইল ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শফিকুল মাতুব্বরের ধামইরহাটে মেরিনা হত্যা মামলার আসামি ভ্যানচালক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার নোবিপ্রবিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম’ পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযান, ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

মেঘনায় সেনা মোতায়েনে মাদকের সংকট, বেড়েছে দাম

মেঘনা প্রতিনিধি / ৫৩৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

মেঘনা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সব ধরনের মাদকের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ অনুসন্ধানে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, এক সময় উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রাম, পাড়া ও মহল্লায় মাদকের আগ্রাসন চললেও সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশের মতো মেঘনা উপজেলাতেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেনা মোতায়েনের পরপরই মাদক কারবারিরা সতর্ক হয়ে ওঠে। বিনিয়োগকারীদের নির্দেশে স্থানীয় ডিলাররা তাদের মজুত করা মাদকের স্টক দ্রুত সরিয়ে ফেলেছে বলে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষ সূত্র জানায়, নদীবেষ্টিত এলাকা হওয়ায় মেঘনা উপজেলার চারপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে মাদকের বড় অংশ পার্শ্ববর্তী উপজেলার দুর্গম গ্রামগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় বাজারে মাদকের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয় এবং স্বাভাবিকভাবেই দাম বেড়ে যায়।
ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহকালে একাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীর সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ প্রায় সব ধরনের মাদকের দামই বেড়েছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামী এক–দুদিনের মধ্যে দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে সচেতন মহল সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, মাদকের মূল হোতা ও বিনিয়োগকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা গেলে মেঘনাকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব। তারা কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন