• সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার সেননগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন টেলিগ্রাম বিনিয়োগ প্রতারণা: কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার-১ সেননগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন কমিটি গঠন হলো সেনগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার উপদেষ্টা মণ্ডলী অনুমোদন মেঘনায় সেনা মোতায়েনে মাদকের সংকট, বেড়েছে দাম সেনা-গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময়ে মেঘনায় অপরাধীচক্র চাপে মদদদাতারা আতঙ্কিত বিভেদ নয়, দিকনির্দেশনার রাজনীতি চান তারেক রহমান মেঘনা উপজেলার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সেনা ক্যাম্প কমান্ডারের মতবিনিময় মেঘনায় আদর্শ মেঘনা সামাজিক সংগঠনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

টেলিগ্রাম বিনিয়োগ প্রতারণা: কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার-১

বিপ্লব সিকদার / ৫৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও অনলাইন টাস্ক সম্পন্নের প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেফতারকৃত আসামি মো. সোহেল মিয়া (৪১)। তিনি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ি থানার ধলপুর এলাকা থেকে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর সাইবার পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের একটি চৌকশ দল তাকে গ্রেফতার করে।
সিআইডি সূত্র জানায়, প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৪টি বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও ৯টি ব্যাংক হিসাবে ধাপে ধাপে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা আত্মসাৎ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৫ সালের ২১ মে লালবাগ (ডিএমপি) থানায় দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ভুক্তভোগীকে অনলাইন পার্টটাইম কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। শুরুতে অল্প কিছু টাকা আয় হওয়ায় বিশ্বাস জন্মে। পরবর্তীতে বেশি লাভের আশ্বাস দিয়ে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়। একপর্যায়ে ওয়ালেটে টাকা জমা দেখালেও উত্তোলন বন্ধ রেখে বিভিন্ন বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক চক্র ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার তদন্তে এর আগে চক্রের মূলহোতা নাদিম (৩২) কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে অন্যান্য আসামির নাম প্রকাশ করেন। তার দেওয়া তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদনসহ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার পরিচালনা করছে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও অর্থ উদ্ধারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন