• মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি আগামীকাল মেঘনায় দুটি ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন ড. মারুফ নারীরা শান্তিপ্রিয়, উচ্ছৃঙ্খলতা পছন্দ করে না বলেই জামায়াতকে বেছে নেয়: তাহের নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতার আহ্বান সেনাপ্রধানের বিএনপি এত খারাপ হলে জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করতে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: ড. মোশাররফ হোয়াইট কালার অপরাধী চক্রের কাছে জিম্মি মেঘনা উপজেলাবাসী বৈষম্যমূলক নেতৃত্বে প্রান্তিক সমাজে রাজনীতির নগ্নতা প্রকাশ ঢাকা-৫ নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ, নির্ভার জয়ের সম্ভাবনা মানিকারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে আলোচনা সভা

বিএনপি এত খারাপ হলে জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার | ময়মনসিংহ

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি যদি এতটাই খারাপ দল হয়ে থাকে, তাহলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের অংশ থাকা জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন তখন পদত্যাগ করেননি।
মঙ্গলবার (__২৭_ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
তারেক রহমান বলেন, “বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দল পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের ভাষায় বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে। তারা বলছে, বিএনপি সরকারের সময় দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। কিন্তু আমার প্রশ্ন—২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তাদেরও তো দুইজন মন্ত্রী বিএনপি সরকারের অংশ ছিল। যদি বিএনপি এতই খারাপ হতো, তাহলে তারা কেন তখন পদত্যাগ করেননি?”তিনি আরও বলেন, “ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেননি, কারণ তারা খুব ভালো করেই জানতেন—খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। বরং কঠোর হাতে দুর্নীতি দমন করতেন।”তারেক রহমান দাবি করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে দুর্নীতির নিম্নগতি থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। তিনি বলেন, “যারা আজ বিএনপিকে দোষারোপ করছে, তাদের নিজেদের দুই সদস্য বিএনপি সরকারের পুরো মেয়াদজুড়ে ক্ষমতায় ছিল—এটাই প্রমাণ করে তারা জনগণের সঙ্গে কত বড় মিথ্যাচার করছে।”
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “এবার শুধু ভোট দিলেই হবে না, ভোটকেন্দ্রে পাহারা দিয়ে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ অতীতে আমাদের ভোট লুট করা হয়েছে।” ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে ভোটাধিকার না থাকায় নদীভাঙন, কর্মসংস্থানসহ এই অঞ্চলের বহু সমস্যার সমাধান হয়নি। মাদক সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য জেলায় জেলায় ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আইসিটি প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে ময়মনসিংহের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান খাল খননের উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি দেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও জানান।
সমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থীদের মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে এলাকার উন্নয়নের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব রুকনুজ্জামান সরকার ও উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম। সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।সমাবেশ শেষে তারেক রহমান গাজীপুর ও ঢাকার উত্তরা এলাকায় পৃথক নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন