রাজধানীর ডেমরা ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকায় দ্রুত বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা। একসময় নিচু বসতবাড়ি, খালি জমি, জলাশয় ও কৃষিজমির জন্য পরিচিত এসব এলাকায় এখন গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন। আবাসিক এলাকার পাশাপাশি নির্মাণ হচ্ছে মার্কেট, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও বিভিন্ন ধরনের ভবন। কিন্তু এসব ভবন কতটা অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হচ্ছে, কতটুকু খোলা জায়গা রাখা হচ্ছে, রাস্তার প্রস্থ ও ভবনের উচ্চতার মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না এবং অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছে কি না—তা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।
ডেমরা, মাতুয়াইল, কোনাপাড়া, ডগাইর, দেইল্লা, সারুলিয়া, শনিরআখড়া, জুরাইনসংলগ্ন ডিএনডি এলাকার বিভিন্ন স্থানে দ্রুত নগরায়ণের চিত্র চোখে পড়ছে। সরু রাস্তার পাশে বহুতল ভবন নির্মাণের ফলে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচলে চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিএনডির দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা। চলতি বছরের জুলাইয়েও ডিএনডি এলাকায় ভারী বৃষ্টির পর হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। কদমতলী, মাতুয়াইল ও ডেলপারাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে।
অর্থাৎ, একদিকে বহুতল ভবনের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সেই হারে সক্ষম হয়ে উঠছে না। ফলে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল ও জলাধার সংকোচন, নিচু জমি ভরাট এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ—সব মিলিয়ে ডিএনডিতে ভবিষ্যতের নাগরিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—রাজউকের নির্মাণ অনুমোদন-সংক্রান্ত তথ্য বলছে, কোনো ভবন নির্মাণ শুরু করার আগে Construction Permit প্রয়োজন। ভবন নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সেটি ব্যবহার করার আগেও Occupancy Certificate প্রয়োজন। অর্থাৎ, শুধু একটি নকশা অনুমোদন পেলেই ভবন নির্মাণ ও ব্যবহার—দুই ধাপ সম্পন্ন হয়ে যায় না।
রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত নকশা থেকে কোনো ধরনের deviation বা নির্মাণবিধি লঙ্ঘন ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ভবনের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রাজউকের Building Inspectors নিয়মিত ভবন পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকেন। অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাঠামো অপসারণের ক্ষমতাও কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
প্রশ্ন হলো, ডেমরা ও ডিএনডির বহুতল ভবনগুলোতে এই নজরদারি কতটা কার্যকর?
রাজউকের নিজস্ব নির্দেশনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় রয়েছে। ৮ তলার বেশি ভবনকে Large and Special Project হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এ ধরনের প্রকল্পের জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রের ব্যবস্থা রয়েছে। ১০ তলার বেশি ভবনের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রকল্পের ছাড়পত্র ও Structural Design-এর পাশাপাশি একাধিক সংস্থার Clearance প্রয়োজন বলে রাজউকের তথ্যেই উল্লেখ রয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, ডেমরা-ডিএনডির ৮, ১০ কিংবা তার বেশি তলা ভবনগুলোর কতগুলো Large and Special Project-এর নিয়ম মেনে অনুমোদন পেয়েছে এবং কতগুলো ভবনের নির্মাণ বাস্তবে অনুমোদিত নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাস্তার প্রস্থ। রাজউকের নির্মাণ অনুমোদন-সংক্রান্ত FAQ-তে বলা হয়েছে, নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম Access ও Road Width না থাকলে সাধারণভাবে পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয় না। বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত জমি দিয়ে Private Road তৈরির ব্যবস্থা থাকলেও এমন অনুমোদন বিরল বলে রাজউক উল্লেখ করেছে।
অথচ ডেমরা-ডিএনডির বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় দেখা যায়, সরু সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। অনেক এলাকায় ভবনের সামনে গাড়ি রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ফলে বাসিন্দাদের গাড়ি সড়কের ওপর রাখার কারণে যান চলাচলের জায়গা আরও সংকুচিত হচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ভবনের উচ্চতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু জমির আয়তন নয়, আশপাশের রাস্তা, অবকাঠামো, অগ্নিনিরাপত্তা, পানি নিষ্কাশন ও জনঘনত্ব বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। একটি এলাকায় যত বেশি মানুষ বসবাস করবে, সেই এলাকার সড়ক, ড্রেনেজ, বিদ্যুৎ, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি সেবা ব্যবস্থার ওপরও তত বেশি চাপ তৈরি হবে।
ডিএনডির ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর। কারণ এই অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবেই পানি নিষ্কাশন সংকটের সঙ্গে যুক্ত। সাম্প্রতিক সময়েও ভারী বৃষ্টিতে ডিএনডি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণেও অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল ও জলাভূমি সংকুচিত হওয়া এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ সক্ষমতাকে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের জন্য ডেমরা ও শ্যামপুর এলাকার খালগুলো থেকে পানি বের করে দেওয়ার অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।
এই বাস্তবতায় ডিএনডি এলাকায় নতুন করে ব্যাপকভাবে জমি ভরাট ও বহুতল ভবন নির্মাণ হলে তার পরিবেশগত ও নগর ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত প্রভাব কী হচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ভবনের অনুমোদনের সময় শুধু ভবনটি কোথায় হবে তা দেখলেই হবে না। ভবনের পানি নিষ্কাশন কোথায় যাবে, বৃষ্টির পানি কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, পার্কিং কোথায় হবে, জরুরি সময়ে মানুষ কীভাবে বের হবে এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি কীভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।
বিশেষ করে অগ্নিনিরাপত্তার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ড হলে পর্যাপ্ত জরুরি সিঁড়ি, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ, বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা এবং জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা না থাকলে দুর্ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন নিয়ে পরে সেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে কি না।
রাজউকের FAQ অনুযায়ী, আবাসিক প্লটে সরাসরি বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদনের সুযোগ নেই; নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় Land-use Conversion করতে হয়।
ডেমরা ও ডিএনডির বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবনের নিচতলায় দোকান, গুদাম, অফিস কিংবা অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ থাকলে সেগুলোর অনুমোদিত Land Use এবং বাস্তব ব্যবহার মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
একইভাবে ভবন নির্মাণ শেষ হওয়ার পর Occupancy Certificate নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা জরুরি। কারণ রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণ শেষ হওয়ার পর ভবন ব্যবহারের আগে Occupancy Certificate প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে অনুসন্ধানের একটি বড় ক্ষেত্র হতে পারে—ডেমরা ও ডিএনডিতে নির্মিত বহুতল ভবনের তালিকা তৈরি করে প্রতিটির Construction Permit, অনুমোদিত নকশা, Land Use Clearance, Occupancy Certificate এবং বাস্তব নির্মাণের মধ্যে মিল খোঁজা।
রাজউকের Development Control Wing-এর দায়িত্বের মধ্যেই ভবন নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন রয়েছে। রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের এলাকা বিভিন্ন Zone ও Sub-zone-এ বিভক্ত এবং সংশ্লিষ্ট Zonal Office-গুলো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ডেমরা ও ডিএনডির নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন কতটা হচ্ছে? অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ, Setback কমানো, রাস্তা দখল করে ভবনের অংশ বাড়ানো কিংবা খোলা জায়গা কমিয়ে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না—সেটি জানা প্রয়োজন।
রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী নির্মাণ অনুমোদনের মেয়াদও নির্দিষ্ট। Construction Permit-এর validity period তিন বছর বলে কর্তৃপক্ষের তথ্য রয়েছে।
অর্থাৎ, পুরোনো অনুমোদন দেখিয়ে বছরের পর বছর নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও সীমাহীন নয়। এ বিষয়েও নির্মাণাধীন ভবনগুলোর নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
শুধু ভবন মালিক নয়, নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি, Structural Engineer, নির্মাণ তদারককারী এবং অনুমোদন ও পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
কারণ একটি ভবন যদি অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয়, তাহলে সেটি নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্তৃপক্ষের নজরে এলো না কেন? আবার অনুমোদিত নকশা থেকে নির্মাণ বিচ্যুত হলে নির্মাণাধীন অবস্থায় সেটি শনাক্ত করা হলো না কেন?
এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে কাগজপত্রের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে ভবন পরিমাপ করা প্রয়োজন। অনুমোদিত নকশায় ভবনের Footprint যতটুকু, বাস্তবে কতটুকু নির্মাণ হয়েছে—তা মিলিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে ভবনের চারপাশের Setback, রাস্তার প্রস্থ, পার্কিং, সিঁড়ি ও জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থাও যাচাই করা দরকার।
ডিএনডির জলাবদ্ধতার সঙ্গে ভবন নির্মাণের সম্পর্কও আলাদাভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। কোনো ভবন নির্মাণের জন্য জলাধার বা নিচু জমি ভরাট করা হয়েছে কি না, প্রাকৃতিক পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়েছে কি না, ড্রেন বা খাল সংকুচিত হয়েছে কি না—এসব তথ্য স্থানীয় ভূমি রেকর্ড, স্যাটেলাইট চিত্র ও মাঠপর্যায়ের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।
কারণ ডিএনডির জলাবদ্ধতা নতুন কোনো সমস্যা নয়। দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পানি নিষ্কাশনের ঘাটতি ও জলাধার-খালসংক্রান্ত সমস্যার কারণে এ অঞ্চলের মানুষ বর্ষায় দুর্ভোগ পেয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও সমস্যাটি অব্যাহত রয়েছে।
এ অবস্থায় বহুতল ভবন নির্মাণের আগে এলাকার সামগ্রিক Carrying Capacity বা ধারণক্ষমতা বিবেচনা করা না হলে ভবিষ্যতে সংকট আরও বাড়তে পারে।
তাই ডেমরা-ডিএনডি এলাকায় এখন একটি সমন্বিত ভবন জরিপের প্রয়োজন। কোন ভবন অনুমোদিত, কোনটি নির্মাণাধীন, কোন ভবনে কত তলা অনুমোদন রয়েছে, বাস্তবে কত তলা নির্মিত হয়েছে, কোন ভবনে Occupancy Certificate রয়েছে, কোথায় Land-use পরিবর্তন হয়েছে এবং কোথায় অনুমোদনবহির্ভূত নির্মাণ হয়েছে—এসব তথ্য প্রকাশ করা জরুরি।
একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের কাছ থেকেও জানতে হবে, বহুতল ভবনগুলোর কতগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন হয়েছে এবং কতগুলো ভবন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে।
সিটি করপোরেশনের কাছ থেকেও জানা প্রয়োজন, এসব বহুতল ভবন নির্মাণের কারণে সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে কি না।
নগরায়ণ থামানো সমাধান নয়। প্রয়োজন পরিকল্পিত নগরায়ণ। মানুষ বাড়বে, ভবনও বাড়বে—কিন্তু সেই ভবন হতে হবে অনুমোদিত নকশা, নির্মাণবিধি, অগ্নিনিরাপত্তা এবং পরিবেশগত শর্ত মেনে।
ডেমরা ও ডিএনডিতে এখন তাই মূল প্রশ্ন শুধু কতগুলো বহুতল ভবন নির্মিত হচ্ছে—তা নয়। প্রশ্ন হলো, এসব ভবনের কতগুলো আইন ও বিধিমালা মেনে নির্মিত হয়েছে, কতগুলো অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করছে এবং কতগুলো ভবন ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ?
এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি উন্মুক্ত করা, ভবনভিত্তিক পরিদর্শন, অনুমোদিত নকশার সঙ্গে বাস্তব নির্মাণের তুলনা এবং নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অন্যথায় আজকের বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি আগামী দিনের ডেমরা-ডিএনডির জন্য আরও বড় জলাবদ্ধতা, যানজট, অগ্নিঝুঁকি ও নাগরিক নিরাপত্তা সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।