ঢাকা   ০৪:০৫:২৩ পিএম, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য: স্পিকার যেসব এলাকায় জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ পরিবার হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক মডেল যুক্ত হচ্ছে দেশে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতিতে সংসদীয় ককাস গঠনের প্রস্তাব ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী আশুলিয়ায় ৩৫ কারখানায় ছুটি ঘোষণা ব্যয় সংকোচনের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এআই ব্যবহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক মডেল যুক্ত হচ্ছে দেশে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 5, 2026,
  • 4 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশই ঘটছে অসংক্রামক ব্যাধিতে, যার মধ্যে একক কারণ হিসেবে হৃদরোগ শীর্ষে। কার্ডিয়াক ইভেন্টের পর রোগীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মানসম্মত, সাশ্রয়ী ও স্থানীয়ভাবে কার্যকর ‘কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন’ মডেল বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ নীতিগত ও কাঠামোগত সহায়তা দেবে।

বৃহস্পতিবার ( ৫ নভেম্বর) দুপুরে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে সাশ্রয়ী হৃদরোগ পুনর্বাসন: সমন্বিত কৌশলগত প্রচার গবেষণা’- শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতির ফলে মানুষ আগের চেয়ে বেশি দিন বাঁচছে, তবে এর সঙ্গে সঙ্গে অসংক্রামক ব্যাধির প্রকোপও বাড়ছে। ২০২২ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশই ঘটছে হৃদরোগজনিত জটিলতায়। অথচ উন্নত বিশ্বে প্রমাণিত হয়েছে যে, ব্যায়ামভিত্তিক কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন পরবর্তী হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমায়, হাসপাতালে পুনঃভর্তির হার হ্রাস করে এবং রোগীর জীবনের মান বাড়ায়।”

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, শুধু ক্লিনিক্যাল চিকিৎসা দিলেই চলবে না; কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পর রোগীদের মধ্যে যে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা তৈরি হয়—বিশেষ করে কর্মক্ষম বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে—সেটিকে এই গবেষণার অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, চিকিৎসাব্যবস্থা হতে হবে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে মানানসই।

গবেষণা এবং স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গবেষকদের কাজ শুধু ল্যাবরেটরি বা জার্নালে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, তা তৃণমূলের নীতিমালায় অনুবাদ করতে হবে। বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং তারই অংশ হিসেবে স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং বাংলাদেশ হৃদরোগ পুনর্বাসনে একটি টেকসই দিশা পাবে।”

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণার প্রধান ও গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রড এস টেলর। আরো বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিউদ্দিন, এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক জে এম এ হান্নান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি