• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় থানায় মামলা না নিতে তদবির করতে যান স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেঘনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করার পথ সমতল নয় মেঘনায় টপ সয়েল লুট উন্নয়নের নামে কৃষির ভবিষ্যৎ হুমকিতে মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘনার লুটের চর – উপজেলা সদর সড়ক ৩০ ভাগ কাজ বাকি, অর্থ ও সময়ের  নতুন চাহিদা মেঘনায় সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে পড়ায় জনজীবনে চরম অনিশ্চয়তা বাঞ্ছারামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা

সিলেটে প্রভাষক সাইফুরের লাশ ফেলার দায় স্বীকার।

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২১৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৯

২৪ মে ২০১৯ ,

বিন্দুবাংলা টিভি .কম,

স্টাফ রিপোর্টার:সিলেট নগরীর মদন মোহন কলেজের খন্ডকালীন প্রভাষক সাইফুর রহমান খুনের মামলায় লাশ বহনকারী সেই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হাফিজুর রহমানকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রিকাবীবাজার থেকে চালক হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ মহানগর ৩য় হাকিম আদালতে ধৃত হাফিজুরকে হাজির করে। এ সময় সে আদালতে লাশ ফেলে আসার ব্যাপারে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন ওই আদালতের বিচারক মো: সাইফুর রহমান। গ্রেফতারকৃত হাফিজুর রহমান নেত্রকোনা উপজেলা ঠাকুরকোণা গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার পুত্র। বর্তমানে সে শাহপরাণ থানার ২নং ওয়ার্ডের টুলটিকর মিরাপাড়াস্থ বাবুল মিয়ার কলোনিতে বসবাস করতো।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানার এস আই শিপলু চৌধুরী জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে ঘটনার পরদিন গ্রেফতার করে পুলিশ তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সিএনজি চালককে খুজতে থাকে। এরপর বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সে আদালতে কলেজ শিক্ষক সাইফুরের লাশ ফেলে আসার ব্যাপারে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, হাফিজুরকে গ্রেফতারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে এ সময় আদালতে সে লাশ ফেলে আসার কথা স্বীকার করে। আদালতে হাফিজুরের জবানবন্দির বরাত দিয়ে ওসি আরো জানান, প্রভাষক সাইফুরের লাশ নগরীর হোটেল মেহেরপুর থেকে দক্ষিণ সুরমার হাওরের পাশে ফেলে আসার ব্যাপারে তাসনিম রুপা ও মুজাম্মিল হোসেনের সাথে চুক্তি হয় হাফিজুরের। বড় অংকের অর্থের লোভে লাশ ফেলে আসে বলে স্বীকারোক্তিতে জানায় হাফিজুর।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ দক্ষিণ সুরমার তেমুখী বাইপাস এলাকা থেকে কলেজ শিক্ষক সাইফুর রহমানের লাশ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত কলেজ শিক্ষক সাইফুরের মা বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর পর তাসনিম রুপা ও মুজাম্মিল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দেন তারা। ত্রিমুখী প্রেমের জেরে ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানায় পুলিশ। সুনামগঞ্জের ছাতকের আলমপুর গ্রামের মোজাম্মিল হোসেন ও শাহপরান এলাকার খিদিরপুর গ্রামের শফিকুর রহমানের মেয়ে তাসনিম রুপা।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন