• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪ পরীক্ষার্থী মেঘনায় ভোরে আঞ্চলিক সড়কে নারীর মরদেহ উদ্ধার বালতি দিয়ে মেপে জিআর চাল বিতরণে প্রশ্ন উঠেছে মেঘনায় চায়ের দোকানে গাঁজা বিক্রি করা সেই রিপন কারাগারে মাদকের আগ্রাসনে নীরবতা ভাঙার এখনই শেষ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা :বাবুরহাট–মতলব বেড়ীবাঁধ–দাউদকান্দি সড়ক ১০.৩০ মিটার প্রশস্ত করার উদ্যোগ মেঘনার মুগার চর কে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মেঘনায় ডাকবাংলোর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল, ২১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন মেঘনা থানার হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি আদালতে প্রেরণ

মেঘনায় ইয়াবাসহ আটক মোসলেম মিয়াকে কারাগারে প্রেরণ

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৫৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক মোঃ মোসলেম উদ্দিন প্রকাশ মোসলেম মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ মে) মেঘনা থানার এসআই (নিঃ) মোঃ মকবুল হোসেন বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত নং-০৫, কুমিল্লায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে বলা হয়, মেঘনা থানার মামলা নং-২২, তারিখ ১৮ মে ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় দায়ের করা মামলায় মোসলেম মিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তিনি উপজেলার পাড়ারবন্দ এলাকার মৃত বজলুর রহমান বুলুর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাধানগর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এসময় মোসলেম মিয়ার শ্বশুর আক্কেল আলীর বসতঘরে মাদক কেনাবেচার তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। তবে অপর দুই আসামী কাজলী (৪৫) ও পুতুল বেগম (২১) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
তল্লাশিকালে আটক আসামীর পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচর থেকে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আলামত জব্দ করা হয় এবং সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি পলাতক আসামীদের সহযোগিতায় এলাকায় উঠতি বয়সী যুবকদের কাছে ইয়াবা বিক্রি করতেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
থানার রেকর্ড ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানানো হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে উল্লেখ করেন, মামলাটি সদ্য রুজু হওয়ায় অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়া আসামী জামিনে মুক্তি পেলে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন