May 30, 2024, 6:50 am
সর্বশেষ:
কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক  সেনাবা‌হিনীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ‌্য প্রণোদিতভাবে প্রতিবেদন প্রচার করা হচ্ছে : সেনাপ্রধান আগামীকাল মেঘনা উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের শপথ কুলিয়ারচর রেলওয়ে স্টেশনে ১ দালাল আটক, ১০ হাজার টাকা জরিমানা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি হয়ে গেলে এ বিশিষ্ট নাগরিকদের আর পাওয়া যায় না : দুদক চেয়ারম্যান সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ সাবেক সহকারী কর কমিশনারের নামে মামলা করেছে দুদক মেঘনায় সেলাই মেশিন ও হুইল চেয়ার বিতরণ নদী খননের বালু বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে আসতে পারে শতকোটি টাকা শনাক্তের পরও নিষিদ্ধ ঘনচিনি খালাসের সত্যতা পেয়েছে দুদক

আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে মেঘনা ও গোমতী সেতু!

২৫ মে ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

ডেস্ক রিপোর্ট ● প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দ্বিতীয় মেঘনা সেতু এবং দ্বিতীয় গোমতী সেতু উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতু দু‘টি উদ্বোধন করবেন।’

একই দিন প্রধানমন্ত্রী কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার, কালিয়াকৈর, দেওহাটা, মির্জাপুর ও ঘারিন্দা আন্ডারপাস এবং কাড্ডা-১, সাসেক সংযোগ সড়ক প্রকল্পের আওতায় জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কে বিমাইল সেতুরও উদ্বোধন করবেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’ নামের আন্তনগর ট্রেনের শুভ উদ্বোধন করবেন।

আলাপকালে কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা, গোমতী সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো. নুরুজ্জামান জানান, নবনির্মিত কাঁচপুর ব্রিজ ইতিমধ্যেই যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

নতুন দু‘টি সেতু চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা কিছুটা হলেও আরামদায়ক হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ১৬ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর উদ্বোধন করেন।

নুরুজ্জামান জানান, জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবায়সি করপোরেশন, শিমঝু করপোরেশন, জেএফএফ করপোরেশন ও আইএইচআই ইনফ্রা সিস্টেমস কোম্পানি লিমিটেড ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতীর সঙ্গে দ্বিতীয় কাঁচপুর ব্রিজের কাজ শুরু করে।

এই তিনটি সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে, ৮ হাজার ৪শ’ ৮৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের জাইকা ৬ হাজার ৪শ’ ৩০ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পে প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা কম খরচ হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, চুক্তি অনুযায়ী জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করে এবং ২০১৯ সালের জুনে সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু ২০১৬ সালের জুলাইতে হলি আর্টিজান বেকারীতে সন্ত্রাসী হামলার কারণে নির্মাণকাজ চার মাস বন্ধ থাকে। এ কারণে সরকার নির্মাণকাজ ৬ মাস বাড়িয়ে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করে দেয়।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, সেতু তিনটির নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের সাত মাস আগেই সম্পন্ন হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন


ফেসবুকে আমরা