• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যা-পরবর্তী মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সফর সফল ও সার্থকভাবে সম্পন্ন হয়েছে পদ্মা ওআড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি শহিদুল বল্লী ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যের করে দোকান ভাঙ্গচুরের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ উদয়নমোড়-রেলস্টেশন গেট সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিলেন চসিক মেয়র সিংড়ায় কৃষিজমি কেটে অবৈধ পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যমে বৈচিত্রতা নিয়ে ‘খবরের কণ্ঠস্বর’-এর যাত্রা শুরু আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের মৌসুমি ফল উৎসব-২০২৬ শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞে ৫৮ নিহতের পরিচয় মিলেছে

ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ডিআইজি মিজানের, দুদক পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্ত

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩৫৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯

১০ জুন ২০১৯ ,বিন্দুবাংলা টিভি .কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

নারী নির্যাতনের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে দুদক পরিচালকের ঘুষ নেয়ার অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। আগামী রোববার (১০ জুন) সন্ধ্যার মধ্যেই দুদক মহাপরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, আজকের মধ্যে এই কমিটি দুদকের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজান। এরপরই পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসিরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানের দাবি, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ২ মে পর্যন্ত দুই দফায় (প্রথমে ২৫ লাখ, পরে ১৫ লাখ) ঘুষের এই টাকা লেনদেন হয়েছে রমনা পার্ক এবং পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর কাপড়ের দোকানে। দুদকের ওই পরিচালক ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এর মধ্যে অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা ছাড়াও তিনি তার সন্তানের স্কুলে আসা-যাওয়ার জন্য একটি প্রাইভেটকারও চান। দুদকের ওই পরিচালক ঘুষের টাকা ব্যাংকে বেনামি অ্যাকাউন্টে রাখার চেষ্টা করেন বলেও দাবি বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানের।

প্রসঙ্গত, প্রায় দুই বছর আগে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিললেও এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।জাগরন


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন