• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
২৪ ক্যারেটের সোনার মতো খাঁটি কর্মীদেরই মূল্যায়ন হবে: রমিজ উদ্দিন লন্ডনী কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার নতুন কমিটি গঠন সভাপতি সাঈদ আহমেদ, সাধারণ  সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম আজ থেকেই শুরু কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ সেনাপ্রধানের সঙ্গে নৌপ্রধানের বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়েছে, আতঙ্কে এলাকাবাসী সব স্কুল-কলেজে মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ, মাউশির জরুরি আদেশ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা

মৃত্যুর পর আমার ভাস্কর্যও হতে পারে: হিরো আলম

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২১৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

দেশে ভাস্কর্য নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই মডেল, অভিনেতা ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত-বিতর্কিত হিরো আলম বলেছেন, ভাস্কর্য যারা বানিয়েছেন তারা রাখার জন্যই বানিয়েছেন। ভাস্কর্য নিয়ে কে কী বললো তা দেখার সময় নেই, দেশে ভাস্কর্য থাকবে। আমি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছি। তাই মৃত্যুর পরে আমার ভাস্কর্যও হতে পারে।

রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হিরো আলম বলেন, ভাস্কর্য সবার হয় না। শুধুমাত্র নামিদামি ও গুণী মানুষ, প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি ও গুণী শিল্পীদেরই ভাস্কর্য হয়ে থাকে। যারা বলছে ভাস্কর্য ভাঙতে হবে তারা ঠিক বলছেন না। মৃত্যুর পরে আমার ভাস্কর্য হতে পারে।

তিনি বলেন, যাদের ভাস্কর্য ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে তাদেরকে এক শ্রেণির মানুষ দেখতে পারে। আবার অন্য শ্রেণির মানুষ দেখতে পারে না। যারা ভাস্কর্য দেখতে পারে না তারা সারাজীবনই এই ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতা করবে।

মৃত্যুর পরে কি আপনার ভাস্কর্য হতে পারে? এমন প্রশ্নে হিরো আলম বলেন, বাংলাদেশে অনেক মানুষ আলোচিত-সমালোচিত হয়। ফেসবুকে অনেকেই ছয় মাস কিংবা এক বছর ভাইরাল হয়। পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আলোচনা বলেন কিংবা সমালোচনা- যেকোনও বিষয়ে আমি হিরো আলম এক এক করে পাঁচটি বছর মাঠে টিকে আছি। আমি যদি ভালো কাজ না করতাম তাহলে এতো মানুষের হৃদয়ে জায়গা পেতাম না। মানুষ আমাকে নিয়ে এতোকিছু করতো না। আমাকে নিয়ে মানুষের ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ আমার ভাস্কর্য বানাতে চায়।

২০১৮ সালে আলোচিত হিরো আলমের ভাস্কর্য তৈরি করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ভাস্কর্য বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। সেসময় হিরো আলম প্রথমে শুনে বিশ্বাস করতে পারেননি যে তার ভাস্কর্যও তৈরি হতে পারে। তাই তিনি নিজে সশরীরে ভাস্কর্যটি দেখতে যান।

হিরো আলম বলেন, আমি জিরো থেকে হিরো হয়েছি। মানুষের ভালোবাসার কারণে জিরো থেকে হিরো। চেহারা কোনও ফ্যাক্টর নয়। ভালোবাসার কারণে আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি। মানুষের যোগ্যতা সবচেয়ে বড় বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন