• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল মেঘনায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ মেঘনায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান, মাঠে থাকার নির্দেশনা বিএনপির মেঘনায় কালভার্ট আছে, সড়কে সংযোগ নেই দেলোয়ার হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ১৫ লাখ টাকার চোরাই পণ্য শিশুমৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত হয়নি, উঠছে প্রশ্ন মেঘনা-তিতাস উপজেলার চরের জমি দ্বন্দ্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরি, হতে পারে হতাহত

চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে ‘প্রেমিককে’ বিয়ে করলো সেই কিশোরী!

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১

২৯ জুন ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

পটুয়াখালীর বাউফলে চেয়ারম্যানকে তালাকের পরের দিনই প্রেমিক রমজানকে বিয়ে করে আবারো আলোচনার কেন্দ্রে ওই কিশোরী। রোববার (২৭ জুন) রমজানের মামাবাড়িতে সেই আগের কাজী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে পড়ান। এর আগে, শনিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে (৬০) তালাক দেয় কিশোরী।

জানাগেছে, কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়নপাশা গ্রামের রমজান (২৫) নামের এক যুবকের সঙ্গে ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকার নাজমিন আক্তার ওরফে নছিমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। গত তিন মাস আগে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের তাঁতেরকাঠি গ্রামের সোহেল আকনের সঙ্গে নছিমনের বিয়ে হয়। বিয়ের সাতদিনের মধ্যে নছিমন সোহেলকে তালাক দিয়ে রমজানকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে।

এই বিয়ে নছিসমনের পরিবার মেনে না নিলে গত শুক্রবার দুই পক্ষকে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের আয়লা বাজারস্থ বাসায় যেতে বলেন। সেখানে কিশোরীকে পছন্দ হওয়ায় ওই কিশোরীকে ওইদিন বিয়ে করেন চেয়ারম্যান। বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা হলে পরদিন ওই কিশোরী চেয়ারম্যারকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে যায়। এদিকে এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে, বাল্যবিয়ে করায় চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার।

নছিমনের স্বামী রমজান বলেন, আমি এক বছরেরও বেশি সময় আগে নছিমনের নানা বাড়ি সামনে আল মামুন জামে মসজিদে ইমাম ছিলাম। নানা বাড়ির কাছেই নছিমনের বাড়ি। সে আমার কাছে কোরআন শিখতো। সেখান থেকে তার সাথে আমার সম্পর্ক। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে নছিমনকে তার বাবা জোর করে অন্যত্র বিয়ে দেন। নছিমন সেখানে সংসার করেননি। ওই স্বামীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন