• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গোয়াতলা–নাগলা সড়কে ওভারলোড বালুবাহী ট্রাকের দাপট বাস স্টেশন থাকার পরও হালুয়াঘাটে সড়কের দুই পাশে গাড়ি পার্কিং ত্রিশালে ‘অবৈধ’ বালুর ঘাটের কর্মীকে ইউএনওর মারধরের অভিযোগ ঘুষ না দেওয়ায় ঠিকাদারের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পৌর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কালিয়াকৈরে তীব্র বিদ্যুৎ-সংকট, দিনে ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ব্যাহত রপ্তানি পাঁচবিবির আওলাইয়ে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদকে ঘিরে প্রাণবন্ত মতবিনিময় জয়পুরহাটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেন ডিআইজি মেঘনায় যে কারণে মাদকসহ সামাজিক বিপর্যয় ঠেকানো যাচ্ছে না ত্রিশালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৩ সদস্যের কমিটি পুনর্গঠন

ভুয়া দলিল সম্পাদনের অভিযোগে আটকৃতদের যেভাবে ছেড়েছে পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

 

বিপ্লব সিকদার।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ভুয়া দলিল সম্পাদনের অভিযোগে শেখের গাও এলাকার দলিল লিখক আল আমিন।, রামনগর ছোয়ানী এলাকার রুমন, জাহাঙ্গীর নামের ৩ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার সন্ধায় মেঘনা থানা উপ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক সংগীয় ফোর্স নিয়ে তাদের আটক করে। এ বিষয়ে সম্প্রতি রামনগর ছোয়ানী এলাকার ভুক্তভোগী সোহেল বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায় দলিল লিখক আল আমিন বাদীর কোটি টাকার পৈতৃক সম্পত্তি ভুয়া দলিল সম্পাদন করেন, অন্যদিকে সম্পাদন কৃত দলিল মেঘনা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে বাতিল করা হয়েছে। ভুয়া দলিল সম্পাদনের খবর রোববার একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। একাধিক সূত্র জানায় আটকৃতরা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দেয়। পুলিশ আটক করে নিয়ে আসার পর রাতে শুরু হয় বিভিন্ন প্রভাবশালীদের তদবির। অভিযোগকারী সোহেল বলেন রাত আড়াইটার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক, দলিল লিখক ভাগিনা সেলিম, সহ আরও অনেকে ছিল ওরা সবাই ওসি সাহেবকে বলছে আমাদের জমি নিয়ে ঝামেলা করবেনা তাছাড়া অনেক কথা আছে, পড়ে বলবো আমি বাধ্য হয়ে অভিযোগ তুলে নেই। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি ব্যক্তিগত কাজে থানায় যাই আমাকে দেখে উভয় পক্ষ এসে বলছে মিলে গেছে তাই আমি বলছি বাদী বিবাদী মিলে গেলে আর কি থাকে। উপ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন উভয় পক্ষ মিলে গেছে আর সাংবাদিক ম্যানেজ করার বিষয় টি ভাগিনা সেলিম আহমেদ নিয়েছে। ভাগিনা সেলিমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয়টি দায়িত্ব নিয়েছি, পরে যোগাযোগ করতেছি তোমাদের সাথে। এদিকে এ বিষয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন ওরা নিজেরা নিজেরা মিমাংসা হয়ে গেছে তাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাসের নিকট কোন অভিযোগ থানায় মিমাংসার আইনের ভিত্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয় টি পুলিশের তাদের আইনে কি আছে সেটা বলতে পারছিনা। থানায় অভিযোগ মিমাংসার ব্যপারে আইনের ভিত্তি সম্পর্কে কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান (বিপিএম বার) এই প্রতিবেদককে বলেন যদি উভয় পক্ষ রাজি থাকে মিমাংসা করা যায় আর যদি সিরিয়াসনেস কিছু হয় সেটা মামলা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন