বিশেষ প্রতিনিধি।।
মেঘনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল গাফফারকে রাতের আঁধারে সড়কে গাড়ি ভাংচুর, সহ হামলার অভিযোগ এনে সম্প্রতি মেঘনা থানায় মামলা করেন। সে মামলায় লুটের চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান,লুটের চর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোজাম্মেল হককে আসামি করা হয়। গত ২০ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কুমিল্লার আদালতে জামিন চাইতে গেলে মোজাম্মেল হককে জেলে প্রেরণ করেন আদালত। পরবর্তীতে গতকাল বৃহস্পতিবার পুনরায় জামিন আবেদন করলে বাদী আব্দুল গাফফারের জিম্মায় জামিন প্রদান করেছেন আদালত। একাধিক সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায় মেঘনা গ্রুপের তত্বাবধানে কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে ব্যবসা নিয়ে বহু বছর ধরে তাদের বিরোধ রয়েছে। পতীত সরকারের আমলে গাফফার সহ তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন শিকদার, লুটের চর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শিকদারদের একটি বলয় অপর দিকে কাইয়ূম সহ মোজাম্মেল চেয়ারম্যানদের ছিল একটি বলয় যা ব্যবসার ক্ষেত্রে এখনো বিদ্যমান।ব্যবসার লেনদেন এবং ভবিষ্যত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা -মামলা হয়। উভয় গ্রুপের মধ্যে আংশিক সমঝোতা হলে বাদী নিজেই জিম্মাদার হয়ে আসামিকে জামিন দিতে অনুরোধ করে ।
অপরদিকে মামলার প্রধান আসামি শেখ রাসেল পরিষদ মেঘনা শাখার সভাপতি,সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য কায়ূম হোসেনসহ অন্যরা অধরা রয়েছেন। এ বিষয়ে লুটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন আমাকে অযথা একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। বাদী আব্দুল গাফফারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বিন্দু বাংলা টিভিকে বলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুরোধে আমি আমার জিম্মায় জামিন চাইলে আদালত আমার উপর দ্বায় দিয়ে জামিন দিয়েছেন।