• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
রাইপাড়ার জনপ্রিয় সাবেক মেম্বার ফিরোজ খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ জয়পুরহাটে ১১ দলের জোটের বিক্ষোভ মিছিল, ডিসির কাছে স্মারকলিপি প্রদান মেঘনায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্যাসের ভোগান্তি কমার আশা, আংশিক সচল মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল হাসিনাকে সুযোগ দিয়ে কী অর্জন করতে চায় ভারত? প্রশ্ন তুলল বিএনপি ডকুমেন্টরিতে আবু সাঈদ ও খালেদা জিয়ার ছবি না থাকা নিয়ে যা বললেন রাষ্ট্রপতি ট্রাইব্যুনালে কল রেকর্ড: সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ৩ কিশোর আদালতে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা’: নোবিপ্রবির শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি ৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক

অবশেষে দুদক চিনেছে মেঘনা উপজেলা: জনমনে স্বস্তি, অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৫৬৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিপ্লব সিকদার :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় পরিসরে আলোচনায় থাকলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না। সম্প্রতি বিন্দুবাংলা টিভি ডটকম-এ প্রকাশিত “অভিযোগ করার সাহস নেই বলে দুদক কি চিনেনা মেঘনা উপজেলা?” শিরোনামের প্রতিবেদনের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। অবশেষে গত রোববার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগের ভিত্তিতে মেঘনা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ছদ্মবেশে অভিযান চালায় এবং সেখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পায়।

এই অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। দীর্ঘদিন ধরে কথিত “দুর্গম উপজেলা” হিসেবে পরিচিত মেঘনায় বিভিন্ন দপ্তর, অফিস ও সেক্টরে দিন দিন বেড়েই চলেছে দুর্নীতি ও অনিয়ম। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রায় কোনো ক্ষেত্রই এই অনিয়মের বাইরে নয়। ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন: “এগুলো কি দেখার কেউ নেই?”

অবশেষে দুদকের অভিযানে অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। কুমিল্লা থেকে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে সাধারণ মানুষ দুদককে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু সাবরেজিস্ট্রি অফিস নয়, মেঘনা উপজেলার সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও দুর্নীতির চিহ্ন রয়েছে। তাই একদিনের অভিযানে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। নিয়মিত নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযানই কেবল এই অনিয়ম রোধ করতে পারে।জনগণের প্রত্যাশা দুদক যেন মেঘনায় তাদের কার্যক্রমকে স্থায়ী ও জোরদার করে। তাহলেই এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ, আর পুনরুদ্ধার হবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন