• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করল তথ্য অধিদপ্তর জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশনা জারি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু নেত্রকোনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২৮ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবাসহ নারী আটক শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল হিসেবে গড়তে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউল করিম হানিট্র্যাপে মুক্তিপণ আদায়, পত্নীতলায় দুই তরুণীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার কর্মদিবসের ৬৬ দিনে ১,২৬৬ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী গ্রেপ্তার: জেলা পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ ভারী বৃষ্টি ও ভরাট খালই চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ: ত্রাণমন্ত্রী

জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট / ৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা শুধু ইতিহাসের গৌরব নয়, বরং ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা।
বুধবার (১৫ জুলাই) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ অন্তত ছয়জন শহীদ হন। আবু সাঈদের দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সঞ্চার করেছিল।
তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তিনি মহান আল্লাহর দরবারে আবু সাঈদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৬ জুলাই জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধ জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে আবু সাঈদের আত্মত্যাগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ। সেই আত্মত্যাগের শক্তিতেই বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের চেষ্টা করা হবে।
বাণীর শেষাংশে তিনি আবারও সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন