• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অনন্য রেকর্ড নেত্রকোনায় তিন সন্তানের জননীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রাণীশংকৈলে কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রামগতি প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি নিজাম, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার কামাল চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন সাজা বদলগাছীতে খালে গোসলে নেমে তলিয়ে গেলেন স্বামী, বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রীরও মৃত্যু শ্রীমঙ্গলে র‍্যাবের পৃথক অভিযানে ৫৭ বোতল মদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করল চীনা প্রতিনিধি দল তালায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, চিকিৎসক বদলি ও নৈশপ্রহরী বরখাস্তের ঘোষণা

বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করল চীনা প্রতিনিধি দল

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ম. ম. রবি ডাকুয়া:

বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে একটি চীনা প্রতিনিধি দল। শনিবার বিকেলে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তারা বিমানবন্দরের নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহের কথা জানান।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে চীনা প্রতিনিধি দল।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খুলনা-মোংলা জাতীয় মহাসড়কের পাশে বাগেরহাট, খুলনা ও মোংলার সমদূরত্বে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় প্রকল্পের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পটির কাজ দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আরও ৫০০ একরের বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়।

তৎকালীন সরকার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেও কোনো বিদেশি কোম্পানি বা দেশ এতে বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় নির্মাণকাজ আর এগোয়নি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মিত হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্লু ইকোনমি, ইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন, পণ্য পরিবহন এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর নির্মাণে চীন সরকার ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় চীনা প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকার সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে।

পরিদর্শন শেষে চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্য মি. পিটার বলেন, “আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং এতে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা আন্তরিক।”


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন