যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা ও মারধরের অভিযোগে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো. আব্দুল মতিনের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কলেজটির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন যশোর জেলা ও এমএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
সকালে কলেজের ‘চেতনায় চিরঞ্জীব’ ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে সনদপত্রে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের বিষয়ে কথা বলতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো. আব্দুল মতিনের কক্ষে যান এমএম কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সেজান।
সেজানের অভিযোগ, গলায় হেডফোন থাকার কারণে সচিব তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনার খবর কলেজে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে সোমবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে অভিযুক্ত সচিবের অপসারণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড সচিব মো. আব্দুল মতিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।