কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় সাধারণ বরাদ্দের (বিবিজি) প্রথম কিস্তি হিসেবে ২২ লাখ ৬৮ হাজার ১০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা থেকে ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা সরকারি আদেশে এ অর্থ ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। আদেশে দেশের ৪ হাজার ৫৮৮টি ইউনিয়ন পরিষদের জন্য বিবিজি খাতে প্রথম কিস্তি বাবদ মোট ১৮০ কোটি ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মেঘনা উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দের মধ্যে বড়কান্দা ইউনিয়নে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা, ভাওরখোলায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭০০ টাকা, চন্দনপুরে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬০০ টাকা এবং চালিভাঙ্গায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকা, লুটেরচরে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৯০০ টাকা, মানিকারচরে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং রাধানগর ইউনিয়নে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আদেশ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে টিআর ফরম-৩২-এ বিল প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষরসহ উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিল করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বরাদ্দের অর্থ ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা-২০২১, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা (পিপিআর)-২০২৫ এবং প্রযোজ্য আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ছাড়কৃত অর্থের অব্যয়িত অংশ ৩০ জুন ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, এ অর্থ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের ‘ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা’ থোক বরাদ্দ খাত থেকে মেটানো হবে।
মেঘনার আট ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ করা মোট ২২ লাখ ৬৮ হাজার ১০০ টাকা ইউনিয়ন পরিষদগুলোর স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় হওয়ার কথা রয়েছে।
মেঘনার ৮ ইউনিয়নে উন্নয়ন বরাদ্দ ২২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা