ঢাকা   ১২:৪১:০৮ পিএম, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসির ফলে বড় ধস, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ দুই-ই

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, October 31, 2026,
  • 2 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।

ফলাফল ঘোষণায় বলা হয়, এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। গতবছর এই হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০২৪ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে। এবার আরও কমে পাসের হার হয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৯৭ জনে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। আর দুই বছরের ব্যবধানে কমেছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৭ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি বছরের ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি