ঢাকা   ০১:৫২:৫০ এএম, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় ফুটওভার ব্রিজে আলোর ব্যবস্থা করার দাবী

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, March 18, 2021,
  • 233 Time View
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

১৮ মার্চ ২০২১,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,
ওসমান গনি,
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জামালদী বাসস্টান্ড ও বাউশিয়া পাখির মোড় এ দুটি (২) ফুটওভার ব্রীজে আলোর ব্যবস্থা করার দাবী উঠেছে এ ফুটওবার ব্রিজ জনসাধারণ এর জন্য চলাচলের উনমুক্ত করার পর থেকেই এ দাবী করে আসছিল জনসাধারণ । কারন রাত যতগভির হয় এ ব্রিজ যেনো তার নিরাপত্তা হারাতে থাকে, এ ব্রিজ গুলো মেইন স্টান থেকে ৩০০-৫০০ ফুট দুরে হওয়ায় রাত গভির হওয়ার সাথে সাথে শিন্তাইকারীর কবলে পরার একটা বিরাট যুকি থাকে জনসাধারণের বিশেষ করে মেয়েদের।

গজারিয়ায় মহাসড়কে বাস স্টান গুলোর মধ্যে জামালদী বাস স্টান ও পাখির মোড় মেইন বাস স্টান গুলোর মধ্যে অন্যতম। জামালদী বাস স্টান দিয়ে ২৪ ঘন্টা মানুষ এর যাতায়াত চলমান থাকে ফলে এ মহাসড়ক পার হওয়ায় জন্য এ ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে হয় প্রতিদিন এই বাসস্টান দিয়ে হোসেন্দী, জামালদী, টেংগারচর, গজারিয়া সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ তাদের কর্ম স্থান যায় আবার একি পথে বাসস্থান এ ফিরে। এতে রাতে অনেক টাই যুকি নিয়ে ওভার ব্রিজটি পার হতে হয় একে তো নেই কোন আলোর ব্যবস্থা তার উপর ব্রিজ এর ওপর সিন্তাই হওয়ার ভয়। বিশেষ করে নারীদের।

এ বিষয়ে সারজমিনে গিয়ে ব্রিজটি ব্যবহার করা মোঃ সালাউদ্দিন মিয়া নামে এক জনের সাথে কথা বলেলে তিনি জানান এ ব্রিজ দু’টি উপর দিয়ে রাতে চলাচল করতে সাধারণ জনগণকে পরতে হয় চরম ভোগান্থিতে রাতে এ পথ দিয়ে নারীযাত্রী সহ বিভিন্ন বয়েসের শিশু ও বৃদ্ধ বয়েসের নারী পুরুষ এ ফুটওবার ব্রিজ ব্যবহার করে। তাই কতৃপক্ষকে এই ফুটওভার ব্রিজে আলোর ব্যবস্থা বা এলইডি লাইট এর ব্যবস্থা করার জোরদাবি জানাছি।

৬১ বছরের নাজমা বেগম জানান আমার মেয়ের জমাইর বাসা ভবেরচর হওয়ায় আমাকে কিছু দিন পর পর এই পথ দিয়ে যাইতে হয় মাঝে মাঝে বাসায় ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়, আর এই ব্রিজ দিয়ে রাস্থা পর হতে হয়। তাই যারা এই ব্রিজ টা বানিয়েছে তাগো কাছে আবেদন করতে চাই যাতে এখানে লাইট বা আলোর ব্যবস্থা করে দেয়।

আরেক পথযাত্রাী জনাব বিল্লল হোসেন বলেন যে দেখুন আমি ঢাকাতে চাকরী করি আমি জামালদী বাস স্টান দিয়ে প্রতি বৃঃপ্রতিবার ঢাকা থেকে বাসায় আসি তো আামর অফিস এর কাজ শেষ করতে করতে মাঝে মাঝে অনেক রাত হয়ে পরে ফলে আমাকে রাতেই বাসায় ফিরতে হয়। আমি যখন রাতে এই মহাসড়ক ফুটওভার ব্রিজ এর মাধ্যমে পার হই, তখন অন্ধ কারের জন্য এ ব্রিজটির ওপর ওঠা কষ্ট হয় তার পর আবার ব্রিজটি নিরব থাকায় সিন্তাই কারীদের কবলে পরারও একটা সম্ভবনা থাকে সাধারণের মানুষের তার পর বিভিন্ন বকাটে ছেলেদের মাধ্যমে মেয়েরা ইপটিজিং এর শিকারও হতে পারে তাই আমি প্রশাসনের কাছে দাবী জানাছি যত দুরত্ব সম্ভব এই ব্রিজ দু’টি ওপর আলোর ব্যবস্থা করর।

এ বিষয়ে ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ীর আফিসার ইন্সর্চাজ জানান আমরা মহাসড়কে যানবাহন এর নিয়ন্ত্রণ কাছে ব্যস্ত থাকি আবার ব্রিজটি অন্ধকার থাকায় ব্রিজটির ওপর কি হচ্ছে কে যাচ্ছে কে আচ্ছে তা ফাইনডআউট কারা কঠিন হয়ে পরে। আমরা যাতে করে জনগণকে আরো ভালো সেবা দিতে পারি কতৃপক্ষ যেনো এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে খুব দ্রুত এই ব্রিজ দু’টি ওপর আলোর ব্যবস্থা করে দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি