• বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

মেঘনায় বিনোদন কেন্দ্র সময়ের দাবী

বিপ্লব সিকদার / ৭৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

মেঘনা উপজেলায় বর্তমানে কোনো পরিকল্পিত বিনোদন কেন্দ্র নেই। ফলে স্থানীয়রা বিশেষ করে ঈদ, শুক্রবার বা অন্যান্য উৎসবমুখর ছুটির দিনে বিনোদনের জন্য নদী চর, সেতু, হাটবাজারসহ অস্থায়ী জায়গাগুলোকে ব্যবহার করতে বাধ্য হন। এই অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মানুষ আনন্দ উপভোগ করলেও তা স্থায়ী ও নিরাপদ নয়। নদী চর বা সেতুতে ভিড় এবং যানবাহনের ঝুঁকি থাকে, যা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ায়। হাটবাজারে বা রাস্তার পাশে আনন্দ করার চেষ্টা করলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়।স্থানীয় তরুণ সমাজ, শিশুরা এবং পরিবারগুলো নিয়মিত বিনোদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। আধুনিক পৃথিবীতে বিনোদন শুধুমাত্র আনন্দ নয়, এটি মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। মেঘনার মতো নদীঘেরা ও গ্রামীণ এলাকায় পরিকল্পিত বিনোদন কেন্দ্রের অভাব তরুণদের মাদক, অনৈতিক কার্যকলাপ বা অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্টের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই বিনোদন কেন্দ্রের মাধ্যমে সুস্থ ও নিরাপদ বিনোদন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।বিনোদন কেন্দ্র হলে পরিবার এবং যুব সমাজের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করা সম্ভব। নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে, বসার বেঞ্চ, ছোট নৌকা ভ্রমণ এবং সূর্যাস্ত দেখার স্পট তৈরি করা যেতে পারে। শিশুদের জন্য দোলনা, স্লাইড ও খেলার মাঠ, যুব সমাজের জন্য ক্রিকেট ও ফুটবল মাঠ, ব্যাডমিন্টন কোর্ট এবং ফিটনেস কর্নার অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এছাড়াও স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ নির্মাণ করা প্রয়োজন। এখানে নাটক, গান, কবিতা আবৃত্তি ও স্থানীয় উৎসব উদযাপন করা যেতে পারে।ফুড কর্নার ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য স্টল থাকলে বিনোদন কেন্দ্র শুধু আনন্দের জায়গাই নয়, স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করবে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি সংক্রান্ত সমস্যা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং রক্ষণাবেক্ষণ একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে। এজন্য উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় যুব সমাজের সহযোগিতা অপরিহার্য।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন