বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন গণমাধ্যমে একজন পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য প্রচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শনিবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “একজন গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া, হাজারো ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামির বক্তব্য এত গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করার যৌক্তিকতা কী?”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের মনে রাখা উচিত যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ওই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। আদালতের এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বারবার তার বক্তব্য প্রচার করা শুধু দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী নয়, বরং আদালতের আদেশ অমান্য ও অবমাননার প্রশ্নও সৃষ্টি করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ড. মারুফ হোসেন তার পোস্টে আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের সমমর্যাদাসম্পন্ন একটি আদালত। তাই আদালতের আদেশের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা রাষ্ট্র, গণমাধ্যম ও নাগরিকসহ সবার সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, প্রযোজ্য আইন, ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি এবং বিদ্যমান কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি।উল্লেখ্য, এ বক্তব্যটি ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত মতামত।