• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বৃক্ষ পরিচর্যা নিশ্চিত না হলে রোপণ কর্মসূচি হবে অপচয় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মাকে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উন্মোচন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে বিএনপি: রিজভী মাদকের দাপট ঠেকাতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৯৩ ভোটের ফল ঘোষণার পর সংসদে সম্প্রীতির বিরল দৃশ্য রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হলো মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ উখিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে মরিচ্যা বাজারে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি: টার্গেটে চোরাচালান নেটওয়ার্ক ও অবৈধ সম্পদ

মাদকের দাপট ঠেকাতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট / ১০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

মাদকের বিস্তার ঠেকাতে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযানে একদিনেই উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক। ২৪ ঘণ্টায় ১১ জেলায় ২৫০টি অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার ২১০ পিস ইয়াবা, ৮১ কেজি ২৬ গ্রাম গাঁজা, ১১৫ লিটার চোলাইমদ, ট্যাপেন্টাডল, ভারতীয় ও বিদেশি মদ এবং হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৫৫ জন। একই সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএমের নির্দেশনায় গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রেঞ্জের ১১টি জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে সবচেয়ে বেশি উদ্ধার হয়েছে ইয়াবা। একদিনেই ৩০ হাজার ২১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক কারবারের বিস্তারের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। পাশাপাশি ৮১ কেজির বেশি গাঁজা উদ্ধার হওয়ায় মাদকের একাধিক ধরনের সরবরাহ ও বেচাকেনার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান জোরদারের চিত্রও পাওয়া যাচ্ছে।
২৪ ঘণ্টায় ২৫০ অভিযান চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৫০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ইয়াবার পাশাপাশি ৮১ কেজি ২৬ গ্রাম গাঁজা, ১১৫ লিটার চোলাইমদ, ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ, তিন বোতল বিদেশি মদ এবং ৫১ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।অভিযানের পর ৫৫টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ২৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুধু গ্রেপ্তারেই কি থামবে মাদক?

একদিনে ২৫৫ জন গ্রেপ্তার এবং বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের পরও বড় প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—মাদকের সরবরাহের মূল উৎস কোথায়? কারা এই বিপুল পরিমাণ মাদক সরবরাহ করছে, কারা পরিবহন করছে এবং কারা এর পেছনে অর্থ জোগান দিচ্ছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কারণ, খুচরা পর্যায়ে মাদকসহ কাউকে গ্রেপ্তার করা গেলেও এর নেপথ্যে থাকা সরবরাহকারী ও অর্থের উৎস শনাক্ত না হলে মাদকের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন। ফলে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদক সরবরাহের নেটওয়ার্ক, অর্থের লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করার ওপর জোর দেওয়ার দাবি উঠছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪১ জনের কারাদণ্ড

মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একদিনে ১৪১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৮ হাজার ৮৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ধারাবাহিক অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য শুধু অভিযান ও গ্রেপ্তার নয়, মাদকের সরবরাহ চেইন ভেঙে দেওয়া, মূল কারবারিদের শনাক্ত করা এবং মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করাও জরুরি।চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন