ঢাকা   ১১:০৬:১৯ এএম, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণ মামলার আসামি কোচিং শিক্ষক নিহত।

Reporter Name
  • Update Time : Monday, April 29, 2019,
  • 303 Time View
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

২৯ এপ্রিল ২০১৯,

বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাইফুল উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে। এর আগে গত ১২ এপ্রিল দুপুরে সাইফুল তার এক ছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে।
মাশকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘র‌্যাবের একটি টহল টিমের সঙ্গে সাইফুল ও তার সহযোগীদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়, পরে সেখানে সাইফুলের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অস্ত্র এবং ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।’
ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছিল, গত ১২ এপ্রিল ওই ছাত্রীর মা বাসায় ছিলেন না। এই সুবাধে সাইফুল ওই দিন দুপুরে ছাত্রীর বাসায় গিয়ে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, সাইফুল কিছু দিন আগে উত্তর আমিরাবাদে সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলে। তার অনুরোধে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের যুগসূত্র তৈরি হয়।
ঘটনার পর ওই ছাত্রীর মা বলেন, ‘ঘটনার আগের দিন আমি বিশেষ কাজে আমার বড় মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাই। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক আটটার সময় সাইফুল আমাকে ফোন করে আমি কোথায় জানতে চায়। তারপর সে আমার ঘরে এসে মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এসময় আমার মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সাইফুল পালিয়ে যায়। পরে আমার মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর গত বৃহস্পতিবার আমরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি