https://bindubanglatv.com/
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়মা রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত জলাতঙ্কের টিকা মজুত রয়েছে। তাই এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা কুকুরটি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রিফাত সুলতানা বলেন, সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। মেঘনায় বেওয়ারিশ কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। আগামী উপজেলা মাসিক সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হবে এবং জেলা পর্যায়েও জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন। আগামী উপজেলা মাসিক সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে, সন্দেহভাজন কুকুরটিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।