ঢাকা   ০৫:০১:৫৩ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় গুলিবিদ্ধ সেই যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : Friday, May 17, 2019,
  • 357 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

১৭ মে ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, এম ডি ওসমান :
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ইসমানীরচর এলাকায় গত সোমবার(১৩ মে) প্রতিপক্ষের আক্রমনে গুলিবিদ্ধ আরমান হোসেন(২২) তিন দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে।
গজারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো: হাফিজুর রহমান মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করে আজ শুক্রবার জানান, আগের করা মামলাটি নিয়ম মতো হত্যা মামলায় রুপান্তর করা হবে।
আরমানের চাচা সাবেক ইউপি সদস্য আলী হোসেন মুফতী দুপুর পৌনে বারটায় জানান, আনুসাঙ্গিক কাজ শেষে আমরা মেডিকেল থেকে বাড়ি ফিরে বাদ জুমা দাফন করা হবে।
স্থানী সূত্রে জানা যায়, এক মাত্র ভাইয়ের শোকে আরমানের দুই বোন ফারজানা,ফারহানা, মা জাহানারা বাবা জসীমউদ্দিন ও স্ত্রী সফুরা শোকে পাথর
এ ঘটনায় পুলিশ এজাহার ভূক্ত আসামী ১২ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি শিপ ইয়ার্ডের ভাঙ্গারী ব্যবসার হিস্যা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সোমবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে।
দীঘদিন যাবত আতাউর গ্রুপের লোকজন ব্যবসা ও নিজেদের অধিপত্য নিয়ে এলাকায় ছিল। সম্প্রতি আতাউর গ্রুপের লোকজন ইসমানীরচর এলাকার জহিরুল ইসলাম ফরাজীর কাছে দাবী করা চাঁদা না পেয়ে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর করে। চাঁদাবাজী মামলায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলে তাদের প্রতিপক্ষ হারুন-ইব্রাহিমের নেতৃত্বে শিপ ইয়ার্ডের ব্যবসার হিস্যাা ও স্থানীয় আধিপত্য করায়াত্ব করে নেয়।
গত সপ্তাহে আতাউর গ্রুপের অধিকাংশ সদস্য আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সোমবার সকালে হারুন-ইব্রাহিম গ্রুপের লোকজন আতাউর গ্রুপের লোকের একাধিক বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায় এস সময় জসীমউদ্দিন মিয়ার ছেলে আরমান ডান হাতে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হয় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গজারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার সময় রিপন ফরাজীর বাড়ির পাশের সড়কের সেতুতে শতাধিক মহিলা পুলিশ বহনকারী পিকাপ আটকে দেয়। তিনি প্রত্যক্ষদর্শীরদের বরাত দিয়ে আরো জানান, হামলায় অংশগ্রহনকারী কমপক্ষে আট/দশ জনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , দুটি গ্রুপই আ‘লীগের কর্মী সমর্থকদের সমন্বয়ে তৈরী। দুটি গ্রুপই চাঁদাবাজীসহ নানা অপরাধে জড়িত ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি