• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

ছয় ঘণ্টায় ২০ লাখ সিম বন্ধ হচ্ছে: বিটিআরসি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩০৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৯

এ প্রক্রিয়ায় চারটি মোবাইল অপারেটরের মোট ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৫টি সিম নিস্ক্রিয় করা হচ্ছে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জানিয়েছে।

সংস্থার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন খাঁন বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার রাত) মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এক এনআইডির বিপরীতে অতিরিক্ত সিম নিস্ক্রিয় হয়ে যাবে।

তিনি জানান, অতিরিক্ত সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের চার লাখ ৬১ হাজার ২৬১, বাংলালিংকের চার লাখ ৫৫ হাজার৮৩১, রবির চার লাখ ১৯ হাজার ২০২, এয়ারটেলের ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৪১ এবং টেলিটকের চার লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২টি সিম বন্ধ করা হবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসি প্রধান জহুরুল হক বলেন, “নিরাপদে মোবাইল সিম ব্যবহারে এ প্রচেষ্টা আরও গ্রাহক বান্ধব হবে এবং এ খাত অধিকতর সুশৃঙ্খল হবে। আশা করছি, এর ফলে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে উন্নত টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবে।”

এ বিষয়ে বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন ‘অ্যামটব’ এক ইমেইলে বলেছে, “গ্রাহকদের অসুবিধার কথা তুলে ধরে বিটিআরসির কাছে সময় বাড়ানোর জন্য আমরা আবেদন করেছি। কারণ অনেক সিম অনলাইন বা আর্থিক কাজে ব্যবহৃত হয়। আমরা আশা করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে আমাদের আবেদনে সাড়া দেবে।”

২০১৬ সালের ২০ জুন গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখার সীমা বেঁধে দিয়েছিল বিটিআরসি। তা আরও কমিয়ে ২০১৭ সালের অগাস্টে সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।

এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম বা রিম রাখার সুযোগ দেয় বিটিআরসি।

কোনো গ্রাহকের পাসপোর্ট, এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে কতটি সিম রয়েছে তা দুটি পদ্ধতিতে জানা যাবে।

>> গ্রাহক *১৬০০১# নম্বরে ডায়াল করলে ইউএসএসডি কোডে তার কাছে এনআইডির শেষ চার ডিজিট জানতে চাওয়া হবে। তা লিখে সেন্ড করলে ফিরতি এসএমএসে জানিয়ে দেওয়া হবে তার নামে থাকা সিমের সংখ্যা।

>> এনআইডি নম্বরের শেষ চার ডিজিট লিখে ১৬০০১ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ওই এনআইডির বিপরীতে সিম সংখ্যা জানতে পারবেন গ্রাহক।

বিটিআরসি বলেছে, কর্পোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে সিম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া বাস্তব সম্মত নয়। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিম বা রিম কেনার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি এ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন।

বিটিআরসির সর্বশেষ মার্চের হিসেবে মোট ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৭ কোটি ৪০ লাখ ৫৩ হাজার, রবির ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪১ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার এবং টেলিটকের ৪০ লাখ ১৪ হাজার গ্রাহক রয়েছে।

যেভাবে বন্ধ হবে সিম

বিটিআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসির কাছে রক্ষিত আছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, কার কাছে কতটি সিম রয়েছে। তথ্য প্রক্রিয়া করে অপারেটরদের এসব নম্বর দেওয়া হয়েছে এবং অপারেটররা গ্রাহকের সাথে অতিরিক্ত সিম বন্ধের বিষয়ে ফোন দিয়ে জানিয়েছে।

অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোনো গ্রাহকের যদি ১৫টির বেশি সিম থাকে তাহলে তার নামে নিবন্ধিত সবচেয়ে পুরনো সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। সম্প্রতি যে সিমগুলো তার নামে রয়েছে তা সচল থাকবে। যদি কারো ২০টির বেশি সিম থাকে তাহলে দেখা হয়েছে তার পুরনো ৫টি সিম কোনগুলো সেগুলোই বিটিআরসি বন্ধ করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন