• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
যমুনায় দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দিতে দায়িত্বে অবহেলায় শাস্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তিতাসে প্রশাসনে নেতৃত্বের শূন্যতা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের বিকল্প নেই: নবজীবনের প্রকাশক-সম্পাদক নুরুন্নাহার স্থানীয় নির্বাচনেও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী করতে চায় না ইসি নয়াদিল্লিতে মিনিস্টার (প্রেস) পদে নিয়োগ পেলেন সাইদুর রহমান সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে বিজিবিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টক্সিক মানসিকতার বিস্তার: সামাজিক সম্প্রীতির নীরব সংকট

নববধূকে তালাকের পর শাশুড়িকে বিয়ে!

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৭৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯

১৪ অক্টোবর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, টাঙ্গাইল সংবাদদাতা :     মাত্র ১১ দিন আগে ধূমধাম করে বিয়ে হয়েছিল নূরন্নাহার খাতুনের (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ অবস্থানের পর শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসেন নুরন্নাহার।

এর পর দিনই শনিবার বিকালে ঘর ভাঙে তার। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুরবাড়ি গিয়ে নববধূ নূরন্নাহারকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করে চলে যায়।

দুদিন আগের শ্বাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর স্ত্রী হওয়ায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামে।

জানা যায়, ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ীর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের নূর ইসলামের মেয়ে নূরন্নাহার খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর দিন শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ সেখানে অবস্থানের পর শুক্রবার মেয়ে ও মেয়ের স্বামীকে নিয়ে নিজবাড়ি ফেরেন। শনিবার সকালে নূরন্নাহার মোনছেরের সঙ্গে সংসার করবেন না বলে জানান।

শুরু হয় পারিবারিক কলহ। শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম তখন নূরন্নাহার সংসার না করলে তিনি নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এ অবস্থায় অসহায় শ্বশুর নূর ইসলাম গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদের তালুকদার, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্যরা সালিশি বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে মারধর করা হয়। এর পর পুরো পরিবারের সম্মতিতে নূর ইসলাম প্রথমে স্ত্রী মাজেদা বেগমকে তালাক দেন। এর পর বর মোনছের আলী নবপরিণীতা নূরন্নাহারকে তালাক দেন। এরপর একই অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়।

হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী জিনাত এসব কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতবর এবং ওই পরিবারের সব সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে। তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শারীরিক শাস্তি দেয়া হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাদের তালুকদার জানান, শাশুড়ি বিয়ের খবরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী বাড়ি ঘেরাও করে মারপিট শুরু করেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরিবারের সবার সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি বিয়ের সম্মতি দেন।

এদিকে শাশুড়ি বিয়ের খবরে দুদিন ধরে অনেক মানুষ ভিড় করছেন মোনছের আলীর বাড়িতে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন