• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
অতি উৎসাহী অনুসারীর লাগাম টানার সময় এসেছে সঠিক পরিকল্পনায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় নতুন বাংলাদেশ অশুভ দৃষ্টিভঙ্গি সত্যকে কখনো পরাজিত করতে পারে না রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে ঘুমালো নিঃশেষ হওয়া পরিবারটি জাতীয় যাকাত সংগ্রহে শীর্ষে ডিসি ফরিদা খানম ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরখাস্ত মেঘনায় যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল :”একটা একটা লীগ ধর -ধইরা ধইরা জেলে ভর ” শ্লোগানে মুখরিত মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের ‘সময়ের দাবি’র ত্রাণ পেল ৪ হাজার ৭৩৩টি পরিবার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২০

৬ মে ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,
মোঃ আকতারুল ইসলাস আক্তার, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসে এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
গত (০৬ এপ্রিল) সোমবার থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করে ‘সময়ের দাবি’ এই ‘সময়ের দাবি’র মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।
‘সময়ের দাবি’ ত্রাণ যাবে বাড়ি জেলা প্রশাসনের এই কর্মসূচির মাধ্যমে যাদের খাদ্য সংকট থাকা সত্তে¡ও লজ্জায় কারো কাছে চাইতে পারেনা ত্রাণের ¯øীপ নিয়ে লাইনে দাড়িয়ে ত্রাণ নিতে সংকোচবোধ করেন তাদেরকে ‘সময়ের দাবি’র মাধ্যমে বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের এই ‘সময়ের দাবি’র হটলাইন ২টি নাম্বারে কল করে গত ৬ এপ্রিল থেকে আজ মঙ্গলবার (০৫) পর্যন্ত ২৯ দিনে ত্রাণ সহায়তা পেয়ে পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৭৩৩টি পরিবার।

সময়ের দাবির মাধ্যমে ত্রাণ সহায়তা পেয়ে অনেকে জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন তাদের প্রতি।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান জানান, সময়ের দাবি ত্রাণ যাবে বাড়ি এই কর্মসূচির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আমরা এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৭৩৩টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে পেরেছি।
জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান বলেন, অনেক মানুষ আছে যাদের বাড়িতে খাদ্য সংকট থাকা সত্তে¡ও কারও কাছে কিছু চাইতে পারে না। বিশেষ করে এমন কিছু মানুষের কথা চিন্তা করে আমরা জেলা প্রশাসন এই উদ্যোগটি গ্রহণ করি। আমরা চাই না কেউ যেন এই করোনা ভাইরাসের দুর্যোগময় সময়ে না খেয়ে থাকে। তাই এই ধরণের মানুষদের সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে দুইটি হটলাইন নাম্বার চালু করেছি। যারা সহায়তার জন্য আমাদের হটলাইন নাম্বারে কল করে তাদের আমরা বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে আসি।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন সবসময় মানুষের মঙ্গল কামনা করে। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োজিত আছি ও থাকব। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আমরা জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছি, দিয়ে যাবো। নিজে বাঁচুন ও আপনার পরিবার ও দেশের মানুষের স্বার্থে আপনারা কেউ হতাশ না হয়ে সচেতন হয়ে সরকারের সকল নির্দেশনা মেনে চলুন। নির্দেশনা মেনে চললে ও সচেতন হয়ে চললে তবেই সম্ভব সুরক্ষিত থাকা ও করোনা ভাইরাস থকে মুক্ত থাকা।

পরিবার গুলোকে ত্রাণ সমাগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, আলু, কাঁচাবাজার সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রতিদিন বিকেলে জেলা প্রশাসনের টিম ৬টি গাড়িতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে ‘সময়ের দাবি’।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন