• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় রতনপুর–তালতলী কাচা সড়ক কাদায় মরণফাঁদ, দুর্ভোগে হাজারো পথচারী অভিশপ্ত বন্যা থেকে মুক্তির পথ কি নেই? স্বচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই দূর হবে ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন থেকে মুক্ত করতে হবে নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ঠাকুরগাঁও রোডে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন মীর হেলালের নির্দেশনায় হাটহাজারীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা তকিবুল বেনাপোল বন্দরে জব্দকৃত ৩ হাজার ৬৭৫ কেজি ভায়াগ্রা পাচারের শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার গাইবান্ধায় ডিবির অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নির্বাচন ২৭ সেপ্টেম্বর

“আমার বাবা “

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

২১ জুন ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, পারভেজ দেওয়ান :

কিছু ভালোবাসা ভাষায় কখনো প্রকাশ করা যায় না। কিন্তু অনেক বেশি অনুভব করা যায়। আব্বুর সাথে আমার সম্পর্কটা অনেকটাই তেমনই।

বাবাকে নিয়ে অনুভূতিগুলো সবসময়ই মনের গহীনে চাপা পড়ে থাকে। বাবার ত্যাগ, তিতিক্ষা, স্নেহ, রাগ, ভালোবাসা সন্তান আগলে বুকের এক কোণে। কখনো মুখ ফুটে বলা হয়ে উঠে না, বাবা ভালোবাসি। বাবাদের আমরা বাবা, আব্বু, ডেডি যে নামেই ডাকি না কেন! সব বাবাই তাঁর সন্তানের জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ।

শত কষ্ট উপেক্ষা করে আব্বু আমাকে আজকের এই সুন্দর পৃথিবীতে টিকে থাকতে শিখিয়েছে । কিভাবে নতুন নতুন চেলেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় তা আব্বুর হাত ধরেই শিখেছি।

শৈশবের কথা মনে হলেই আব্বুর কথা মনে পড়ে কারন শৈশব জুড়ে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড আমার আব্বু-ই।শৈশবে আমার আমার সকল বায়না আব্বুর হাত ধরেই পূরণ হয়েছে।নতুন শব্দ,বাক্য, প্রানীর নাম,সাধারণ জ্ঞান আব্বুর হাত ধরেই শিখা।আমার এখনো মনে পড়ে আব্বু রাতে ঘুমানোর আগে গল্প শুনাতেন। প্রতিটা গল্পে শিক্ষনীয় কিছু না কিছু থাকতোই। সেই গল্প থেকে অর্জিত জ্ঞান আজ আমার চলার পথকে সুন্দর করে তুলেছে।

নিজে পুরানো কাপড় পড়ে ইদ করলেও, আমাদের জন্য ইদে নতুন কাপড় প্রতিবছরই থাকে।এটা শুধু আব্বুকে দিয়েই সম্ভব। নিজের সুখকে বিসর্জন দিয়ে সন্তানের চলার পথকে সুন্দর ও সুখময় করা শুধুমাত্র বাবাদের দিয়েই সম্ভব।

যতই মুখে বলি,” তুমি তো আমি বাদে বাকি তিন ছেলেকে বেশি আদর করো”..কিন্তু দিন শেষে আমি আর আব্বু দুইজনেই জানি, আমি বড় ছেলে, আমার প্রতি বাবার আশাটা বেশি,আমার সাথে কমিউনিকেশনটাও বেশি,একটু মনোমালিন্যতাও হয়,আবার আমার জন্য আব্বুর খরচটাও বেশি হয়। ” এতো ঘুরতে যেতে হবে কেন?, লেখা পড়া ঠিক মতো না করলে ভালো চাকরি পাবা না।আবার বলবে, শোন প্রেম-ট্রেম করিস না, নামাজ পড়। কাজের কাজ তো করবা না সারাদিন ফোনের মধ্যে ডুইবা থাকো।”দিনশেষে সকল স্বাধীনতা কিন্তু আমার বাবা আমাকে দিয়ে রাখছে।

বাবার ত্যাগ, বিসর্জন বলে শেষ করার মতো না।পরিশেষে বলতে চাই,

ভালো থাকুক এপারের, ওপারের সকল বাবারা…


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন