ঢাকা   ০৯:১১:০৩ এএম, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘এএসপির মৃত্যুতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অনুমোদন ছিল না মাইন্ড এইডের’

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 11, 2020,
  • 184 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

১১ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে নির্যাতনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমের মৃত্যুতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মাইন্ড এইড হাসপাতালের অনুমোদন ছিলো না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (১১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিচার করা হবে। তারা কীভাবে এই হাসপাতাল চালাচ্ছিল আমি শুনেছি, তবে এখনো নিশ্চিত নই। এই হাসপাতালের অনুমোদন যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নেয়নি। সবকিছু তদন্তের পরেই আমরা কথা বলতে পারব।

হাসপাতলে অভিযানের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল অনুমোদিত না হলে আইনে কি হয় তা আপনারা জানেন। অননুমোদিত হাসপাতাল যেগুলো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেগুলো শনাক্ত করে ধরার চেষ্টা করছে এবং তা এখনো অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে নির্দেশনাটা আসছে- সেটা হলো যখন জানতে পারবে অননুমোদিত হাসপাতাল সম্পর্কে। তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানাবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযানগুলো চালানোর কথা।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এ ধরনের হাসপাতাল শনাক্ত হওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যোগ্য প্রতিনিধি নিয়ে অভিযান চালাবে এমন একটা নির্দেশনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে পাঠিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এই আদেশের ফলে আমি মনে করি স্বচ্ছতার সঙ্গে অভিযানগুলো চলবে। এতে কোনো অসুবিধা হবে না। অভিযান চালানোর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৯ নভেম্বর রাজধানীর আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্মীদের মারধরে মৃত্যু হয় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুল করিমের।

হাসপাতালের অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট কক্ষের ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা যায়, হাসপাতালে ৬-৭ কর্মী টেনেহিঁচড়ে ওই কক্ষের মধ্যে নিয়ে আসে আনিসুলকে। সেখানে তাকে কয়েকজন চেপে ধরে রাখতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কয়েকজনকে তাকে কনুই দিয়ে আঘাত করতে থাকেন। দীর্ঘক্ষণ নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকলেও আনিসুলের চিকিৎসার ব্যাপারে কেউ কোনো পদক্ষেপ নেননি। পরে তাকে শ্যামলী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি