• সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নিয়মিত চেকআপে সিঙ্গাপুর গেলেন খন্দকার মোশাররফ মেঘনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হামলা-সহিংসতার প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে বিএনপির বিক্ষোভ মেঘনায় বিশেষ স্থানে সিসি ক্যামেরা ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে মেঘনায় সন্ত্রাসের ছায়া, সুষ্ঠু ভোট হুমকিতে অটোরিকশা ছিনতাইকে কেন্দ্র করে শান্ত দাস নিহত হয়েছে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের কুমিল্লা–১: বিএনপি নেতাকর্মীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহবান কঠোর নির্বাচনী আচরণবিধি জারি করল নির্বাচন কমিশন আধার রাতে হোমনায় ভুট্টা খেতে অজ্ঞাত যুবকের গলাকাটা লাশ

মেঘনায় নদীর ভাঙন রোধে ফেলা হচ্ছে জিওবি ব্যাগ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৯৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

 

মেঘনা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিওবি ব্যাগ ফালানো  শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) এ কাজ শুরু হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভুমি উম্মে মুসলিমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়  ২২ টি ভুক্তভোগী পরিবারকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের আওতায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে ৭ হাজার ৫ শত টাকা প্রদান করা হবে। উজান থেকে নেমে আসা পানির তীব্র স্রোতে ভাঙ্গনের কবলে নলচর এলাকায় ২২ টি পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি),উপজেলা চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভুমি উম্মে মুসলিমা, প্রকল্প কর্মকর্তা সেলিম খান, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, পরিদর্শনে যান এবং গত বুধবার স্থানীয় এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ নিয়ে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনসহ জিওবি ব্যাগে কাজ করার প্রতিস্রুতি দেন।

 

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায় জরুরি প্রকল্পে ৪ শত মিটার এলাকা জুড়ে  ১২ হাজার ৫ শত জিওবি ব্যাগ ফালানো হবে। এ প্রকল্পের ব্যয় হবে ৪৫ লাখ টাকা। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, উম্মে মুসলিমা বলেন আজ ২ হাজার ব্যাগ এসেছে আমি থাকাকালীন বালু ভরাট করে প্রায় দুই শত ব্যাগ ফালানো হয়। অপরদিকে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন এটি একটি জরুরি প্রকল্প ফলে ঠিকাদার নিয়োগ হয়নি আপাতত দুই তিন জন ঠিকাদারকে বলা হয়েছে দ্রুত কাজ করার জন্য পরবর্তীতে যে ঠিকাদার  কাজ করছে তাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই কাজ দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন