• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় রতনপুর–তালতলী কাচা সড়ক কাদায় মরণফাঁদ, দুর্ভোগে হাজারো পথচারী অভিশপ্ত বন্যা থেকে মুক্তির পথ কি নেই? স্বচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই দূর হবে ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন থেকে মুক্ত করতে হবে নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ঠাকুরগাঁও রোডে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন মীর হেলালের নির্দেশনায় হাটহাজারীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা তকিবুল বেনাপোল বন্দরে জব্দকৃত ৩ হাজার ৬৭৫ কেজি ভায়াগ্রা পাচারের শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার গাইবান্ধায় ডিবির অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নির্বাচন ২৭ সেপ্টেম্বর

মহাসড়কে অপরিকল্পিত ইউ-টার্ন: দুর্ঘটনার বড় কারণ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৫৬৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অপরিকল্পিত ইউ-টার্ন। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে সতর্ক করলেও বাস্তবে এখনো মহাসড়কের নানা স্থানে অব্যবস্থাপনার সঙ্গে ইউ-টার্নের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মহাসড়কে অনেক ইউ-টার্ন এমন জায়গায় তৈরি করা হয়েছে যেখানে সামনে আসা দ্রুতগতির যানবাহনকে চালকেরা স্পষ্টভাবে দেখতে পান না। ফলে হঠাৎ ঘুরতে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটে ভয়াবহ সংঘর্ষ। একইসঙ্গে, ঘনঘন ইউ-টার্ন থাকার কারণে চালকরা অনেক সময় হঠাৎ করে ব্রেক কষে গাড়ি ঘোরাতে যান, এতে পেছনের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

আরেকটি বড় সমস্যা হলো এসব ইউ-টার্নের নকশায় আলাদা লেন বা অপেক্ষার জায়গা রাখা হয়নি। ফলে মূল সড়কেই গাড়ি থেমে ইউ-টার্ন নিতে বাধ্য হয়। এর সঙ্গে গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সঠিক সাইনবোর্ড, আলোকসজ্জা ও ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতির অভাব দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।ভারী যানবাহন যেমন ট্রাক ও বাসের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও প্রকট। এসব যানবাহন ইউ-টার্ন নিতে বেশি সময় নেয়, এ সময় পেছন থেকে আসা গাড়ি গতি কমাতে না পেরে সজোরে ধাক্কা মারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাসড়কে অপরিকল্পিত ইউ-টার্ন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে (৫-১০ কিলোমিটার পরপর) আধুনিক নকশায় ইউ-টার্ন, ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাস নির্মাণের বিকল্প নেই। পাশাপাশি, প্রতিটি ইউ-টার্ন এলাকায় স্পষ্ট সাইনবোর্ড, স্পিড রিডাকশন ব্যবস্থা, সার্ভিস লেন ও পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করতে হবে।তাদের মতে, এসব ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হলে মহাসড়কে প্রাণহানি অনেকাংশে কমে আসবে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন