• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বিদায়ের ফুলে লেখা চার দশকের গল্প উপাসনালয়ে রাজনীতি: তৃণমূলের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা মেঘনায় মিশ্র নীতির রাজনীতিতে বদলাচ্ছে সমীকরণ “লাথি মেরে চেয়ার থেকে নামাবো ” স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ইঙ্গিত করে ছাত্রঅধিকার নেতার ক্ষোভ প্রকাশ বেগ-আবেগ-যতির ভারসাম্যহীনতায় বদলে যাচ্ছে সমাজ সুযোগ-সুবিধার সংকট, নজরদারির অভাব ও সামাজিক অবক্ষয়ে ঝুঁকির মুখে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম লুটের চরে দৃষ্টিনন্দন বাংলো বাড়ি, আলোচনায় সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লু সরকার জিয়ার আদর্শে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন মেঘনায় ভাটেরচর-লুটের চর সড়ক এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক মূল্য তালিকা না থাকায় দুই মিষ্টির দোকানকে জরিমানা

মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার

বিপ্লব সিকদার / ৯৪০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

 

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ওরশের অনুষ্ঠানে সৃষ্ট বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলার ঘটনায় এক যুবক নিহত এবং আরেকজন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। এ ঘটনায় পুলিশ বাবুল মিয়া নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুগারচর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল (৪৪) বাদী হয়ে মেঘনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় লক্ষনখোলা গ্রামের নাঈম, বাবুল মিয়া, জাহিদুল, কামাল মিয়া, সজিব, লিল মিয়া ও ফিরোজ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।এজাহারে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ আলী শাহ ভান্ডারীর ওরশে বাউল গানের অনুষ্ঠানে আসামিরা নারী উত্যক্ত করলে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এর জের ধরে ২৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জিহাদ (২২) ও শাহজালাল ওরফে সাব্বির (২০)সহ কয়েকজন সিএনজিযোগে মানিকারচরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পথিমধ্যে লক্ষনখোলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা সিএনজির গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, চেইন ও লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে জিহাদ ও সাব্বিরকে সিএনজি থেকে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।এজাহার অনুযায়ী, নাঈম জিহাদের বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। জাহিদুল সাব্বিরের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ছুরিকাঘাত করে এবং সজিব মাথায় আঘাত করলে তিনি মারাত্মক জখম হন। অন্য আসামিরা লোহার রড ও পাইপ দিয়ে পিটিয়ে দুইজনকে গুরুতর আহত করে।স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বির মারা যান। জিহাদ বর্তমানে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত সকল আসামির গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।রাধানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বিন্দুবাংলা টিভিকে  বলেন, ইতোমধ্যে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন