• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় জুয়ার আসর থেকে ৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার, নগদ টাকা ও তাস জব্দ মেঘনায় স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণ : প্রেম ছিল, পালিয়েই ‘অপহরণ’ মামলা মেঘনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, , ডুপ্লেক্স বাড়িতে অগ্নিসংযোগ সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হলেন যারা শোকবার্তা প্রকাশ করলো স্বেচ্ছাসেবক দল কুমিল্লা উত্তর জেলা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর কমিটি বিলুপ্ত, নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি-জোটের ৩৬ প্রার্থী ঘোষণা ১৭ বছরে ইতিহাস বিকৃতি, সংশোধনের প্রতিশ্রুতি অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রেম-প্রণয়: নীরব সামাজিক বিপর্যয়ের অশনি সংকেত মেঘনায় চাদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার নেতার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

মেঘনায় জুয়ার আসর থেকে ৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার, নগদ টাকা ও তাস জব্দ

বিপ্লব সিকদার / ৪২৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

 

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, তাস ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে মানিকারচর বাজার সংলগ্ন শিকিরগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মেঘনা থানা পুলিশ। আজ বুধবার মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো.শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল বাতেনের বাড়ির একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় ৮ জনকে আটক করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন— আঃ বাতেন (৫১), হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাইন্না (৪৭), মোঃ নাইম (৫১), জসিম উদ্দিন (৫০), আলমগীর (৪২), ডালিম মিয়া (৪৫), শাহিন মিয়া (৩২) ও জালাল মিয়া (৪৮)। তারা সবাই মানিকারচর ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা। অভিযানকালে জব্দ করা হয় ১০৭টি খোলা তাস, ৩ বান্ডিল নতুন তাস, নগদ ৪৬ হাজার ৬০ টাকা এবং ৭টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে এসব আলামত জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মেঘনা থানায় মামলা করা হয়েছে। থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বেও বিভিন্ন মামলা রয়েছে। বিশেষ করে হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক মারামারি, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যাচেষ্টা সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এছাড়া আঃ বাতেন, শাহিন মিয়া ও অন্যদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।ওসি শহীদুল ইসলাম দৈনিক আমার দেশকে বলেন মামলার প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন জানিয়ে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন