কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নের আলগী (পূর্বপাড়া) এলাকায় চায়ের দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া রিপন মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো.শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।থানা সূত্রে জানা যায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা থানার একটি টহল দল উপজেলার আলগী বিলপাড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ভাওরখোলা-চন্দনপুর সড়কের পাশে রিপন মিয়ার চায়ের দোকানে পৌঁছালে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
আদালতে দাখিল করা পুলিশি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে রিপন মিয়ার দোকানের ক্যাশবক্স থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে মেঘনা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়। পরে বুধবার (১ জুলাই) তাকে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৫ এ সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
থানার রেকর্ড ও সিডিএমএস যাচাইয়ে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বেও দুটি ফৌজদারি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে বলে আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১২ সালের একটি অগ্নিসংযোগ ও চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগের মামলা এবং ২০২২ সালের একটি মারামারি, হত্যাচেষ্টা, শ্লীলতাহানি ও অন্যান্য অভিযোগের মামলার তথ্য রয়েছে।মেঘনা থানা পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, গ্রেপ্তার আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।