• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বালতি দিয়ে মেপে জিআর চাল বিতরণে প্রশ্ন উঠেছে মেঘনায় চায়ের দোকানে গাঁজা বিক্রি করা সেই রিপন কারাগারে মাদকের আগ্রাসনে নীরবতা ভাঙার এখনই শেষ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা :বাবুরহাট–মতলব বেড়ীবাঁধ–দাউদকান্দি সড়ক ১০.৩০ মিটার প্রশস্ত করার উদ্যোগ মেঘনার মুগার চর কে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মেঘনায় ডাকবাংলোর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল, ২১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন মেঘনা থানার হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি আদালতে প্রেরণ ঢাকা বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিজ রোজী আক্তার

বালতি দিয়ে মেপে জিআর চাল বিতরণে প্রশ্ন উঠেছে

মেঘনা প্রতিনিধি / ৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

 

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে জেনারেল রিলিফ (জিআর) প্রকল্পের চাল বালতি দিয়ে মেপে বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে নগদ অর্থ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিতরণ না করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর থেকে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে চেক দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ চাল বিতরণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সলিমুল্লাহ মোহাম্মদ। তবে চাল বিতরণের সময় ইউপি চেয়ারম্যান মাঈনুদ্দিন মুন্সি উপস্থিত ছিলেন না।
পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের জন্য জিআর কর্মসূচির আওতায় মোট ৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে মেঘনা উপজেলার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৯ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন চাল এবং ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ১০ জন উপকারভোগীকে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে চেক পিআইও দপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছে।
চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, সেলিম রেজা, যুবদল নেতা তরুণসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির বলেন, “প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি চাল থাকার কথা। কিন্তু আমি নিজে দেখেছি, অনেক বস্তায় ২৭ কেজির বেশি থাকে না। ফলে দুই বালতি চাল দিলে ২০ কেজির পরিবর্তে প্রায় ১৮ কেজির মতো হয়। পিআইও সাহেব নিজেই আমাকে সেখানে থাকতে বলেছেন।”
এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, “প্রতিজন উপকারভোগীকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। সেখানে বালতি দিয়ে মেপে চাল বিতরণ কোনো স্বচ্ছ পদ্ধতি নয়। এতে কম-বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা বিতরণ প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফখরুল ইসলাম বলেন, “হয়তো আগে বালতিটি মেপে নেওয়া হয়েছে, তাই সেটি দিয়েই চাল বিতরণ করা হয়েছে। আর নগদ অর্থ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নয়, আমাদের দপ্তর থেকে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ১০ জন উপকারভোগীকে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে চেক দেওয়া হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন