• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় রতনপুর–তালতলী কাচা সড়ক কাদায় মরণফাঁদ, দুর্ভোগে হাজারো পথচারী অভিশপ্ত বন্যা থেকে মুক্তির পথ কি নেই? স্বচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই দূর হবে ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন থেকে মুক্ত করতে হবে নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ঠাকুরগাঁও রোডে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন মীর হেলালের নির্দেশনায় হাটহাজারীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা তকিবুল বেনাপোল বন্দরে জব্দকৃত ৩ হাজার ৬৭৫ কেজি ভায়াগ্রা পাচারের শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার গাইবান্ধায় ডিবির অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নির্বাচন ২৭ সেপ্টেম্বর

মেঘনায় রতনপুর–তালতলী কাচা সড়ক কাদায় মরণফাঁদ, দুর্ভোগে হাজারো পথচারী

মেঘনা প্রতিনিধি / ৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রতনপুর–তালতলী–ছোট সাপমারা কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বছরের পর বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি অবহেলায় পড়ে থাকায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ। বর্ষা এলেই কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো সড়ক, আর শুকনো মৌসুমে ধুলাবালু ও ভাঙাচোরা অংশে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে যাতায়াত।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্ত ও অসমান অংশ সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পানি জমে ছোট ছোট জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান এমনকি পথচারীদেরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
স্থানীয় বাসিন্দা “আবদুল হাকিম” (ছদ্মনাম) বলেন, “একটু বৃষ্টি হলেই এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় শিশুদের কোলে করে রাস্তা পার হতে হয়।”
আরেক বাসিন্দা “সেলিম মিয়া” (ছদ্মনাম) বলেন, “এই সড়ক দিয়ে কৃষিপণ্য বাজারে নিতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। অনেক যানবাহন এ পথে আসতেই চায় না।”
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক “রহিমা বেগম” (ছদ্মনাম) বলেন, “প্রতিদিন সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। বর্ষাকালে কাদা মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়।”
স্থানীয়দের দাবি, রতনপুর, তালতলী ও ছোট সাপমারা গ্রামের মানুষের জন্য এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং দৈনন্দিন যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এটি। অথচ দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান কোনো সংস্কারকাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। দ্রুত সড়কটি সংস্কার না হলে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন