• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
সিংড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান দোজখ দেখে ফেলেছে: এসপি মাসুদ নবীনগরের কৃতী সন্তান, রাষ্ট্রদূত ফেরদৌসি শাহরিয়ার আর নেই পাঁচবিবিতে খাল খননের অব্যয়িত ১০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত তালায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ নবীনগর উপজেলা পরিষদে মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও নারীদের নামাজের স্থান উদ্বোধন জেল খেটে ফিরেই শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক, শিক্ষা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সদর উপজেলায় গভীর রাতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, একই পরিবারের ৫ জন আহত অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ টেকনাফে কুরিয়ার গুদামে মিলল ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা, পলাতক ১

জেল খেটে ফিরেই শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক, শিক্ষা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

হাসিনুজ্জামান মিন্টু:

প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পরও কর্মস্থলে ফিরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করেছেন এক সহকারী শিক্ষক। ঘটনাটি সামনে আসার পর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জুয়েল রানা ভিজিল্যান্স সার্ভে কমিশনের অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য একজন পরীক্ষার্থীর হয়ে প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে ঢাকায় আটক হন। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০ জুন ২০২৬ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৪২৯ ধারার মামলায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জে পাঠানোর নির্দেশও পরোয়ানায় উল্লেখ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি নিজ বিদ্যালয়ে যোগ দেন এবং দুই দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে এলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে ওই শিক্ষক আর বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—একজন শিক্ষক ফৌজদারি মামলায় কারাগারে যাওয়ার পরও কীভাবে পুনরায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ পেলেন? তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, কিংবা শিক্ষা প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, একজন সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তার কর্মস্থলে যোগদান ও পাঠদানের বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নথিপত্র পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো ঘটনায় প্রশাসনিক তদারকি, নিয়মকানুনের প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন