• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধ দমনে কঠোর ডিআইজি আশুলিয়ায় ৩৪০০ ইয়াবা উদ্ধার, নেপথ্যে কারা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিদলের বৈঠক এক মাসেই লক্ষাধিক ইয়াবা উদ্ধার, কুমিল্লায় শ্রেষ্ঠ ওসি সাজেদুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সীমানা বাড়াতে গণশুনানি গোমতীর তীরে নৌবন্দর স্থাপনে সম্ভাব্যতা যাচাই বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতে সম্ভাবনার ঢেউ, উন্নয়নে ভাটার টান এসএসসিতে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের নজরকাড়া সাফল্য এসএসসি পরীক্ষার ফলে জয়পুরহাট জেলায় সেরা গার্লস ক্যাডেট কলেজ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: কুমিল্লায় ডিআইজি

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতে সম্ভাবনার ঢেউ, উন্নয়নে ভাটার টান

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

বিপ্লব সিকদার:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত। একদিকে বিস্তীর্ণ নীল জলরাশি, অন্যদিকে সবুজের সমারোহ। জোয়ার-ভাটার ছন্দ, সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য, ঝাউবন আর কেওড়াগাছের সারি—প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সাজিয়েছে সৈকতটিকে। চট্টগ্রাম শহর থেকে তুলনামূলক কম দূরত্বে হওয়ায় স্বল্প সময়ে ঘুরে আসার সুযোগও রয়েছে। তারপরও দেশের অন্যান্য পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের তুলনায় বাঁশবাড়িয়ায় পর্যটকের আনাগোনা সীমিত।

প্রশ্ন উঠছে, এত সম্ভাবনা থাকার পরও কেন বাঁশবাড়িয়া এখনো পূর্ণাঙ্গ পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেনি?

সরকারি তথ্যেও বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতকে সীতাকুণ্ডের অন্যতম পর্যটন স্পট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সড়কপথে বাস ও সিএনজি অটোরিকশায় সেখানে যাওয়া যায়। সৈকতের আশপাশে ঝাউবন, কেওড়াবন ও পিকনিক স্পট রয়েছে। কিন্তু পর্যটন স্পট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও সেই অনুযায়ী অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি।

সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, প্রকৃতির সৌন্দর্য যতটা চোখে পড়ে, তার তুলনায় পর্যটন ব্যবস্থাপনার উপস্থিতি ততটাই দুর্বল। কোথাও অপরিকল্পিত দোকানপাট, কোথাও ময়লা-আবর্জনা, কোথাও পর্যটকদের বসার অনুপযুক্ত পরিবেশ। পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত মানসম্মত শৌচাগার, পোশাক পরিবর্তনের ব্যবস্থা, নিরাপদ গোসলের সুযোগ কিংবা জরুরি চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়।

পর্যটকদের সবচেয়ে বড় অভিযোগের একটি হলো থাকার ব্যবস্থা। বাঁশবাড়িয়া সৈকতের আশপাশে পর্যাপ্ত মানসম্মত হোটেল-মোটেল, কটেজ কিংবা রিসোর্ট নেই। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের বেশির ভাগকেই কয়েক ঘণ্টা ঘুরে ফিরে যেতে হয়। কেউ রাতে থাকতে চাইলে সীতাকুণ্ড বাজার কিংবা চট্টগ্রাম শহরমুখী হতে হয়।

পর্যটন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্তদের মতে, একটি পর্যটনকেন্দ্র তখনই অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়, যখন সেখানে পর্যটক শুধু আসেন না, রাতও কাটান। থাকার ব্যবস্থা না থাকায় বাঁশবাড়িয়ায় পর্যটকের অবস্থানকাল কম। এতে স্থানীয় ব্যবসা, পরিবহন, খাবারের দোকান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও সীমিত থাকছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে বাঁশবাড়িয়ায় ভালো ভিড় হয়। শুক্রবার ও শনিবার বিকেলে বিশেষ করে তরুণ-তরুণী, পরিবার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানুষজনের উপস্থিতি বাড়ে। তবে সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে অনেকটা নির্জন থাকে সৈকত এলাকা। ঈদ, সরকারি ছুটি কিংবা বিশেষ কোনো উপলক্ষে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

স্থানীয়দের ভাষ্য, পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়াতে হলে শুধু সমুদ্র দেখানোর ব্যবস্থা করলেই হবে না। পর্যটকের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, ভালো খাবার, পরিচ্ছন্নতা, বসার জায়গা, বিনোদন, রাতযাপনের সুযোগ এবং পর্যটনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

আরেকটি বড় প্রশ্ন নিরাপত্তা নিয়ে।

সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে জোয়ার-ভাটা, পানির গভীরতা ও আবহাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সৈকতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড, দৃশ্যমান সতর্কবার্তা এবং জরুরি উদ্ধারব্যবস্থা না থাকলে পর্যটকের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশু ও নারীসহ পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীরা নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।

পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সমুদ্রসৈকতের উন্নয়ন শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। সমুদ্রের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং পর্যটন ব্যবসার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে। অপরিকল্পিত স্থাপনা কিংবা অতিরিক্ত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কারণে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হলে দীর্ঘমেয়াদে পর্যটনই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাঁশবাড়িয়ার আরেকটি সম্ভাবনা হচ্ছে এর আশপাশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। সীতাকুণ্ডে রয়েছে চন্দ্রনাথ পাহাড়, বিভিন্ন ঝরনা, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতসহ একাধিক দর্শনীয় স্থান। এসব জায়গাকে সমন্বিত করে পর্যটন সার্কিট তৈরি করা গেলে একজন পর্যটক একই সফরে একাধিক স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন।

কিন্তু সেই পরিকল্পিত পর্যটন সার্কিট এখনো বাস্তব রূপ পায়নি।

একজন পর্যটক সকালে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গিয়ে বিকেলে বাঁশবাড়িয়ায় সূর্যাস্ত দেখবেন, রাতে সৈকতসংলগ্ন কোনো কটেজে থাকবেন এবং পরদিন আশপাশের পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখবেন—এমন প্যাকেজভিত্তিক পর্যটনের সুযোগ তৈরি হয়নি। ফলে সীতাকুণ্ডের পর্যটন এখনো অনেকাংশে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

পর্যটকদের অভিযোগ, বাঁশবাড়িয়ার সৌন্দর্য দেখতে এসে অনেক সময় মৌলিক সুবিধার ঘাটতি চোখে পড়ে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা দেখা যায়। আবার কোথাও ডাস্টবিন থাকলেও নিয়মিত অপসারণ না হলে সেখানেই আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়। এতে সৈকতের পরিবেশ ও সৌন্দর্য দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রে পরিকল্পিত খাবারের দোকানও গুরুত্বপূর্ণ। বাঁশবাড়িয়ায় স্থানীয়ভাবে খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও পর্যটকদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও বৈচিত্র্যময় খাবারের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা সীমিত। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া কিংবা স্থানীয় খাবারকে কেন্দ্র করে একটি পরিকল্পিত সি-ফুড জোন তৈরি করা গেলে স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।

পর্যটকদের গাড়ি রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকলে ছুটির দিনে রাস্তার ওপর গাড়ি রাখার কারণে যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। তাই সৈকতের বাইরে নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিং জোন তৈরি করে সেখান থেকে পর্যটকদের হাঁটা বা নির্দিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে সৈকতে নেওয়ার পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

বাঁশবাড়িয়াকে ঘিরে বেসরকারি বিনিয়োগেরও বড় সুযোগ রয়েছে। সরকারি জমি, পরিবেশগত সংরক্ষণ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা গেলে ইকো-রিসোর্ট, কটেজ, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানও বাড়বে।

তবে উন্নয়নের নামে যাতে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধ্বংস না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। যত্রতত্র কংক্রিটের স্থাপনা নির্মাণ কিংবা গাছপালা কেটে অবকাঠামো তৈরি করলে বাঁশবাড়িয়া তার নিজস্ব আকর্ষণ হারাতে পারে। তাই উন্নয়ন হতে হবে পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে।

পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঁশবাড়িয়ার উন্নয়নে প্রথম প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান। কোথায় হোটেল হবে, কোথায় খাবারের দোকান, কোথায় পার্কিং, কোথায় হাঁটার পথ, কোথায় সবুজ এলাকা থাকবে—সবকিছু নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। পাশাপাশি সৈকতের প্রাকৃতিক এলাকা সংরক্ষণে কঠোর নিয়ম করতে হবে।

সৈকতে পর্যটন পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মীর দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়ানো, প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড নিয়োগ, সিসিটিভি স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনও জরুরি। পর্যটকদের জন্য তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করে জোয়ার-ভাটা, নিরাপত্তা নির্দেশনা, আশপাশের দর্শনীয় স্থান ও জরুরি যোগাযোগের তথ্য দেওয়া যেতে পারে।

প্রচারেও ঘাটতি রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তি উদ্যোগে বাঁশবাড়িয়ার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও পরিকল্পিত পর্যটন প্রচারণায় এর উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিত প্রচারণা চালালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটক আকৃষ্ট করা সম্ভব।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, বাঁশবাড়িয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে এর অবস্থান ও প্রকৃতি। এটি কক্সবাজার নয়, পতেঙ্গাও নয়। এর নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে হবে। কোলাহলপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রের বিকল্প হিসেবে ‘শান্ত সমুদ্র, সবুজ প্রকৃতি ও সূর্যাস্তের সৈকত’ হিসেবে বাঁশবাড়িয়াকে ব্র্যান্ডিং করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়নের ক্ষেত্রে শুধু পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় জেলেদের জীবন, স্থানীয় খাবার, হস্তশিল্প ও সংস্কৃতিকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে এলাকার মানুষ সরাসরি সুফল পাবেন।

বাঁশবাড়িয়ার সম্ভাবনার সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতির সম্পর্কও তাই গভীর। পরিকল্পিতভাবে পর্যটন গড়ে উঠলে পরিবহনচালক, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র দোকানি, গাইড, হোটেলকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।

কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পর্যটন করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, সড়ক বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই পর্যটন উন্নয়ন সম্ভব নয়।

বাঁশবাড়িয়া আজও প্রকৃতির দানে সমৃদ্ধ। কিন্তু পর্যটন ব্যবস্থাপনার ঘাটতিতে সেই সম্পদ যথাযথ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল তৈরি করতে পারছে না। যেখানে প্রকৃতি নিজেই পর্যটনকেন্দ্র তৈরির সব উপাদান দিয়েছে, সেখানে মানুষের দায়িত্ব শুধু সেই সৌন্দর্যকে রক্ষা করে প্রয়োজনীয় সুবিধা তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার চাইলে বাঁশবাড়িয়াকে একটি পরিকল্পিত পরিবেশবান্ধব সমুদ্র পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান, সরকারি বিনিয়োগ, বেসরকারি অংশীদারত্ব, নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, আবাসন ও কার্যকর প্রচারণা।

বাঁশবাড়িয়ার সামনে তাই দুটি পথ। একদিকে অপরিকল্পিতভাবে বাড়তে থাকা দোকানপাট, ময়লা, নিরাপত্তাহীনতা ও অব্যবস্থাপনা; অন্যদিকে পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও জনসম্পৃক্ত পর্যটন উন্নয়ন।

কোন পথটি বেছে নেওয়া হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে সীতাকুণ্ডের এই সমুদ্রসৈকতের ভবিষ্যৎ।

সমুদ্রের ঢেউ প্রতিদিনই বাঁশবাড়িয়ার তীরে এসে আছড়ে পড়ে। প্রকৃতি তার সৌন্দর্য দিতে কোনো কার্পণ্য করছে না। এখন প্রয়োজন সেই সৌন্দর্যকে টেকসই পর্যটনে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ। তাহলেই বাঁশবাড়িয়া শুধু স্থানীয় মানুষের বিনোদনস্থল নয়, হয়ে উঠতে পারে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অন্যতম সম্ভাবনাময় সমুদ্র পর্যটনকেন্দ্র।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন