ঢাকা   ০৩:২৭:৩১ পিএম, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মহাখালী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী নিরাপদ পানি নিশ্চিতে বড় পরিকল্পনা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে গবেষণা জরুরি: খাদ্যমন্ত্রী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৫০০ ফুট পাখি শিকারের ফাঁদ জব্দ ‎বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী পানি সহযোগিতা কমিটি: ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চায় ঢাকা

আর্মেনিয়ায় জনতার রাজধানী ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 12, 2020,
  • 242 Time View

১১ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

নাগর্নো-কারাবাখে শান্তি চুক্তি নিয়ে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়েছে আর্মেনিয়ায়। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকা ঘিরে ফেলেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, এই মুহূর্তে ব্যর্থতা স্বীকার করে পদত্যাগ করুন প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনয়ান। ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পদত্যাগের সম্ভাবনাও খারিজ করে দিয়েছেন।

প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধ চলার পর গত সোমবার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং রাশিয়া একটি চুক্তি সই করেছে। নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে সেই শান্তি চুক্তিতে সব চেয়ে লাভ হয়েছে আজারবাইজানের। চুক্তিতে স্থির হয়েছে, কোনো পক্ষই আপাতত আর যুদ্ধে জড়াবে না। রাশিয়ার সেনা এলাকায় টহল দেবে এবং শান্তি বজায় রাখবে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে যে যেখানে অবস্থান করছে, সেই এলাকা তার দখলে থাকবে। যুদ্ধে নাগর্নো-কারাবাখের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা আজারি ফৌজ নিজেদের দখলে নিয়েছে। ফলে চুক্তিতে লাভ হয়েছে তাদেরই।

দুই দেশের সীমান্তে ককেশাস পর্বতে বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখের দখল নিয়ে সংঘাত শুরু হয়েছে। আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান দুইটি দেশই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। সোভিয়েতের পতনের পর দু’টি দেশ আলাদা হয়ে যায়। তখন থেকেই নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে তাদের মধ্যে বিতর্ক।

চুক্তি পছন্দ না হলেও আন্তর্জাতিক চাপে সই করতে বাধ্য হয়েছিলেন পাশিনয়ান। জানিয়েছিলেন, এই চুক্তি আর্মেনিয়ার মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন। ঠিক সে ঘটনাই ঘটছে। গোটা আর্মেনিয়া জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। বুধবার তাঁরা দরজা ভেঙে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রীর অফিসেও। চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করা হয়। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। চুক্তি ভেঙে ফের যুদ্ধের দাবিও করেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, চুক্তিতে নাগর্নো-কারাবাখের কার্যত গোটা এলাকাই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে আর্মেনিয়ার জনগোষ্ঠীর। এত দিন তাঁরাই সেখানে বসবাস করতেন।

আর্মেনিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর, বুধবার পার্লামেন্টেও ঢুকে পড়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। পার্লামেন্টের মূল হলঘরে তাঁরা ভাঙচুর চালিয়েছেন। স্পিকারকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দিকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাতেই বিশেষ বৈঠক ডাকা হয় পার্লামেন্টে। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য তাতে যোগ দেননি। তাঁকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। তবে বুধবার তিনটি ফেসবুক লাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জনগণকে শান্ত হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। পদত্যাগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী যাই বলুন, আপাতত বিক্ষোভ থামার সম্ভাবনা দেখছে না আর্মেনিয়া। জনগণের স্পষ্ট দাবি, যে প্রক্রিয়ায় চুক্তি সই হয়েছে, তা অন্যায়। আর্মেনিয়াকে বঞ্চিত করা হয়েছে চুক্তিতে। ফলে সাধারণ মানুষ ওই চুক্তি মানেনন না। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি