• বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির কুমিল্লায় রমজান ও ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা জোরদারে মতবিনিময় সভা ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকের এমএফএস অ্যাকাউন্টে প্রতারণা, সিআইডির জালে স্বামী-স্ত্রী মেঘনায় মানিকার চর বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান সোনারগাঁওয়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ১ বান্দরবানে জেএসএস (মূল) সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর সফল অভিযান মেঘনার কোন বাজারে যদি কেউ চাঁদাবাজি করতে আসে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখবেন : ড.খন্দকার মারুফ হোসেন শরণখোলায় ভুয়া এমবিবিএস ডিগ্রী ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা, দুদকের অভিযান সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ মেঘনায় আজহারুল হক শাহিনের নেতৃত্বে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিম্ন আয়ের মানুষদের নিয়ে হাসি-তামাশা কেন?

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

১১ মে,২০২১,বিন্দুবাংলা টিভি. কম

,
মোঃপারভেজ দেওয়ান

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশে এখনো কাগজে-কলমে লকডাউন চলছে। তবে, কলকারখানা খোলা। খোলা বিপণিবিতানগুলোও। সেখানে বেশ ভিড়ও আছে। আবার ঈদে বাড়ি না গিয়ে সরকারি-বেসরকারি সব চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, বেসরকারি চাকরিজীবীদের কীভাবে কর্মস্থলে রাখা হবে, কে দেখবে, কেউ জানে না। কোথাও সেটা বলাও হয়নি। চাকরিজীবী ছাড়া অন্য কোনো পেশার মানুষের কী হবে, সেই সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনাও নেই।

এদিকে আবার দূরযাত্রার সব গণপরিবহন বন্ধ। তবে, আকাশপথ খোলা আছে। টাকা থাকলে আকাশে উড়ে যেকোনো গন্তব্যে যেতে পারবেন। প্রাইভেট কার থাকলেও কেউ আটকাবে না রাস্তায়। এমনকি মোটরসাইকেলেও যেতে পারবেন।

সম্প্রতি সময় লক্ষ্য করলে দেখা যায় তাদের আয় বেশি তারা ঠিক ই নিজস্ব গাড়ি ব্যাবহার কিংবা আকাশ পথ ব্যবহার করে নিজ গ্রামে যাচ্ছেন ইদ পালনের জন্য

অথচ দেশের নিন্ম আয়ের মানুষগুলোকে মিডিয়ায় তামাশার পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।সাধারণ মানুষ যাতে গ্রামে যেতে না পেরে তার জন্য লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো হলেও মানুষের গ্রামে যাওয়ার আগ্রহ কমাতে না পেরে ইদের ছুটি কমানো হয় কিন্তু এতেও ফলাফল স্রোতের
বিপরীতে যাওয়ায় ফেরি ঘাটের ফেরি পযন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়।কিন্তু এতেও কোন লাভ হয় না বরং এতে সংগ্রাম করে পরিবারের সাথে ইদ করার আগ্রহ আরো বহু মাত্রায় বেড়ে যায়।

অন্যদিকে দেশের এলিট শ্রেনীর একাংশ ঠিক ই উড়োজাহাজে করে দেশের বাইরে কিংবা গ্রামে পরিবারের সাথে ইদ পালনের উদ্দেশ্য প্রতিনিয়ত রাজধানীর ছাড়ছে।

অথচ সরকার প্রথম থেকেই বলে আসছিল যে যেখানেই অবস্থান করবে সে সেখানেই ইদ করবে।যার জন্য লকডাউন এর মেয়াদ বাড়ানো হলো,আন্তঃজেলা বাস যোগাযোগ বন্ধ করা হলো, এবং সর্বপরি ইদের ছুটি কমানো হলো। কিন্তু ফলাফল উল্টো। সেটা উচ্চ আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে হোক কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে হোক।

কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘাটলেই দেখা যায় নিন্ম আয়ের মানুষ গুলো ট্রোলের শিকার হচ্ছে।কারন তারা উড়োজাহাজে করে না যেয়ে ফেরিতে নদী পার হচ্ছে যা দেখা যায়।অথচ যারা উড়োজাহাজে করে বাড়ি যাচ্ছে তাদের যাওয়ার দৃশ্য দেখতে না পারায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ব্যাপারে কোন মন্তব্য নেই।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন