• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে আলোচনা সভা ও দোয়া জয়পুরহাটে তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করতে জার্সি বিতরণ জয়পুরহাট সরকারি কলেজে জুলাই-আগস্ট শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন দেশ নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সংসদ উপনেতার পদে নতুন মুখ, নাকি এবারও শূন্য? তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ঘিরে তুঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে রাজশাহীতে দোয়া ও দুঃস্থদের খাবার বিতরণ পুত্রবধূর বিরুদ্ধে চাচা শাশুড়ির মুখে ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ ১৫ আগস্ট ঘিরে যশোরে হাই অ্যালার্ট, ছয়টি পয়েন্টে চলছে তল্লাশি

জন্মদাতার পরিচয় পেতে ডিএনএ টেস্টে অতঃপর যা পাওয়া গেলো…

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

১২ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় গণধর্ষণের শিকার হয়ে স্কুলছাত্রীর জন্ম দেওয়া সন্তানের পিতৃপরিচয় তৃতীয় দফায় ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার সনদ অনুযায়ী রাকিব হোসেন (২৮) নামে এক পরিবহন শ্রমিক ওই স্কুলছাত্রীর সন্তানের বাবা।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত রাকিব হোসেন উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আবু তালেবের ছেলে।

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলাটি প্রায় দুই বছর ধরে তদন্ত শেষে বগুড়া আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে। মামলায় রাকিব হোসেন ও একই এলাকার অফফের আলীর ছেলে বকুল হোসেনকে (২৩) অভিযুক্ত করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্ট ও তদন্তে দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় এ মামলা থেকে স্কুলছাত্রীর নানা রশিদ মন্ডলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার ছোট চিকাশি-মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই এলাকার কৈয়াগাড়ি গ্রামে নানা রশিদ মন্ডলের বাড়ি থেকে স্থানীয় বালিকা বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করত সে। পার্শ্ববর্তী রঘুনাথপুর গ্রামের অফফের আলীর ছেলে বকুল হোসেনের (২৩) সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল বিকেলে বকুল মেয়েটির ঘরে ঢুকে ধর্ষণের সময় ধরে ফেলে নানা। ঘটনাটি প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে একই সময় নানা রশিদ মন্ডলও নাতনিকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার বাবা বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মেয়েটির নানা রশিদ মন্ডল ও বকুল হোসেনকে আসামি করা হয়। এ অবস্থায় ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়।

এদিকে আদালতের নির্দেশে থানা পুলিশ সন্তানসহ স্কুলছাত্রীকে রাজশাহী শিশু ও কিশোরী হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে (সেফহোম) রাখেন। এ অবস্থায় ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী রশিদ মন্ডল ও বকুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া নবজাতকের জন্মদাতার পরিচয় শনাক্ত করতে রশিদ ও বকুলের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু তাদের ডিএনএ পরীক্ষায় সন্তানের জন্মদাতার পরিচয় মেলেনি।

পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে স্কুলছাত্রী পুনরায় রাকিব হোসেনের নাম প্রকাশ করেন। গত ৭ আগস্ট নওগাঁ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতের আদেশে ৩ সেপ্টেম্বর ওই স্কুলছাত্রী ও তার পুত্রসন্তান এবং রাকিবকে ঢাকা সিআইডির সদর দপ্তরে ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে পরীক্ষায় সন্তানের জন্মদাতার পরিচয় মিলেছে। রাকিব প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীর সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। মামলায় অভিযুক্ত আসামি রাকিব ও বকুল বগুড়া কারাগারে আটক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন