• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
জাতীয়তাবাদে শিশু-কিশোর গড়ার সময়োপযোগী রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন হ্নীলায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে কোস্ট ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ বেনাপোল সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার পারিবারিক বিরোধের জেরে ফুলছড়িতে কৃষককে গলাকেটে হত্যা গুমের নাটক সাজিয়ে ২ বছর আত্মগোপন: নির্দোষ ঠিকাদারকে ৪ মাস জেল খাটিয়ে অবশেষে জীবিত উদ্ধার সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন লোহাগাড়ার লোহার দিঘীর পূর্ব পাশে দফাদার পাড়া সমাজের সরদার নির্বাচন-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ মেঘনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেলিম আহমেদ গ্রেপ্তার

পারিবারিক বিরোধের জেরে ফুলছড়িতে কৃষককে গলাকেটে হত্যা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

মো. আশরাফুল ইসলাম আকন্দ:

পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কঞ্চিপাড়া (মাঝিপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শাহজালাল ওই গ্রামের মৃত নিয়ামত উল্লার ছেলে। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি বাঁশের কাজ করতেন।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে খাবার খেয়ে শাহজালাল ঘুমিয়ে পড়েন। তাঁর স্ত্রী গোলেদা বেগম মূল ঘরে এবং শাহজালাল বারান্দার টিনশেড কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোঙানির শব্দ শুনে গোলেদা বেগম বারান্দার কক্ষে গিয়ে স্বামীকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরিও মরদেহের পাশে পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়দের খবরে ফুলছড়ি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ছেলে অটোচালক পাঞ্জু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “আমার জ্যাঠাতো ভাই গোলাম হোসেন আমার বাবাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। পালানোর সময় আমার মা তাকে দেখেছেন। গোলাম হোসেন প্রায়ই তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। এসব ঘটনায় আমার বাবা চাচা হিসেবে প্রতিবাদ করতেন। প্রায় পাঁচ মাস আগে কোদাল দিয়ে স্ত্রীকে মারধরের পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি, বর্তমানে ঢাকায় আছেন। সেই ক্ষোভ থেকেই গোলাম হোসেন আমার বাবাকে হত্যা করেছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন