• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

বৃক্ষ পরিচর্যা নিশ্চিত না হলে রোপণ কর্মসূচি হবে অপচয়

বিপ্লব সিকদার / ১৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

প্রতি বছর বর্ষা এলেই দেশে শুরু হয় বৃক্ষরোপণের তোড়জোড়। সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন—সবাই কমবেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। কোথাও হাজার, কোথাও লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা আসে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ছবি, অতিথিদের হাতে চারা, ব্যানার-ফেস্টুন আর নানা প্রতিশ্রুতির কথা। কিন্তু প্রশ্ন হলো—রোপণের কয়েক মাস কিংবা এক বছর পর সেই গাছগুলোর কতটি জীবিত থাকে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই আমাদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির একটি মৌলিক দুর্বলতা সামনে আসে। গাছ লাগানোর হিসাব আছে, কিন্তু গাছ বাঁচানোর হিসাব খুব কমই আছে। কতটি চারা বিতরণ করা হলো, কতটি রোপণ করা হলো—এসবের পরিসংখ্যান সহজেই পাওয়া যায়। কিন্তু কতটি চারা বেঁচে আছে, কতটি মারা গেছে, কেন মারা গেছে, পরবর্তী পরিচর্যা কে করেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর অনেক ক্ষেত্রেই অস্পষ্ট।
ফলে বৃক্ষরোপণ এখন অনেক জায়গায় একটি মৌসুমি কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। বর্ষা এলে গাছ লাগানো হয়, ছবি তোলা হয়, প্রচার হয়; এরপর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শেষ। কিন্তু একটি চারা গাছ হয়ে উঠতে যে সময়, শ্রম, পানি, সুরক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যা প্রয়োজন, সেই বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থ, শ্রম এবং মানুষের সময় ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত পরিবেশগত সুফল পাওয়া যায় না।
বাস্তবতা হলো, একটি চারা মাটিতে পুঁতে দেওয়াই বৃক্ষরোপণের শেষ ধাপ নয়; বরং সেটিই শুরু। গাছ লাগানোর পর অন্তত কয়েক বছর তার বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে হয়। বিশেষ করে সড়কের পাশে, খোলা মাঠে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায়, নদীর তীরে কিংবা জনবহুল এলাকায় রোপণ করা চারার জন্য আলাদা পরিচর্যা প্রয়োজন। গবাদিপশুর হাত থেকে রক্ষা, পর্যাপ্ত পানি, আগাছা পরিষ্কার, মাটির প্রয়োজনীয় সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে খুঁটি বা বেষ্টনী দেওয়া—এসব ব্যবস্থা না থাকলে অধিকাংশ কোমল চারা টিকে থাকা কঠিন।
এখানে আমাদের পরিকল্পনার একটি বড় ঘাটতি রয়েছে। আমরা অনেক সময় বৃক্ষরোপণকে একটি ‘ইভেন্ট’ হিসেবে দেখি, দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ ব্যবস্থাপনা হিসেবে নয়। ফলে কর্মসূচির সাফল্য মাপা হয় কতটি চারা লাগানো হয়েছে তার ভিত্তিতে; কতটি গাছ বড় হয়েছে, তার ভিত্তিতে নয়। অথচ প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি হওয়া উচিত ‘সারভাইভাল রেট’—অর্থাৎ রোপণ করা চারার কত শতাংশ নির্দিষ্ট সময় পরও জীবিত আছে।
একটি উদাহরণ বিবেচনা করা যাক। কোনো একটি এলাকায় ১০ হাজার চারা রোপণ করা হলো। কয়েক মাস পর দেখা গেল, এর অর্ধেকই মারা গেছে। কাগজে-কলমে কিন্তু বৃক্ষরোপণের সংখ্যা থাকবে ১০ হাজারই। প্রশাসনিক প্রতিবেদনে কর্মসূচি সফল বলেও উল্লেখ হতে পারে। অথচ বাস্তবে পরিবেশের জন্য অবদান রেখেছে মাত্র ৫ হাজার চারা। আরও কিছুদিন পর যদি জীবিত চারার একটি বড় অংশও নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে পুরো কর্মসূচির উদ্দেশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু অর্থের অপচয় নয়; এটি পরিবেশগত পরিকল্পনারও ব্যর্থতা। একটি চারা উৎপাদন, পরিবহন ও রোপণে অর্থ ব্যয় হয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে শ্রমিকের শ্রম, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সময়, পানি, পরিবহন এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়। চারা মারা গেলে শুধু একটি গাছ হারায় না; হারায় সেই বিনিয়োগও।
তাই এখন সময় এসেছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারণাটিকেই নতুনভাবে দেখার। ‘কত গাছ লাগানো হলো’—এই প্রশ্নের পাশাপাশি জোরালোভাবে জানতে হবে, ‘কত গাছ বাঁচানো হলো?’ কারণ একটি গাছ লাগানো সহজ; একটি গাছকে কয়েক বছর ধরে বাঁচিয়ে বড় করে তোলা কঠিন। আর পরিবেশের জন্য কার্যকর হলো দ্বিতীয় কাজটি।
বৃক্ষরোপণের সঙ্গে পরিচর্যার দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে দেওয়া যেতে পারে। যে প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা ব্যক্তি গাছ লাগাবে, তাদেরই নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেই গাছের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। প্রতিটি এলাকায় স্থানীয়ভাবে ‘গাছের অভিভাবক’ বা কেয়ারটেকার নির্ধারণ করা যেতে পারে। বিদ্যালয়ে রোপণ করা গাছের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে। সড়কের পাশে লাগানো গাছের পরিচর্যায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকে যুক্ত করা যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে থেকে এসে একদিনে হাজার হাজার চারা লাগিয়ে চলে গেলে প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয় না। স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করলে গাছের প্রতি মালিকানাবোধ তৈরি হয়। যে ব্যক্তি নিজের বাড়ির পাশে, রাস্তার পাশে কিংবা গ্রামের কোনো জায়গায় একটি গাছ লাগিয়ে নিয়মিত পানি দেন, আগাছা পরিষ্কার করেন এবং গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন, তার হাতে একটি চারার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রোপণ করা গাছের তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। কোন এলাকায় কতটি গাছ লাগানো হয়েছে, কী প্রজাতির গাছ, কার দায়িত্বে রয়েছে—এসব তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। নির্দিষ্ট সময় পরপর সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে গাছের অবস্থা যাচাই করা যেতে পারে।
প্রযুক্তিও এখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রোপণ করা গাছের ছবি, অবস্থান ও পরিচর্যার তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। প্রতিটি বড় বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে জিওট্যাগযুক্ত তথ্যভান্ডার তৈরি করা যেতে পারে। এতে একটি গাছ কোথায় লাগানো হয়েছে, কে লাগিয়েছে, তার পরিচর্যার দায়িত্ব কার—এসব তথ্য সহজেই যাচাই করা যাবে। ফলে শুধু কাগজে-কলমে গাছ লাগানোর সংখ্যা দেখিয়ে দায় শেষ করার সুযোগ কমবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গাছের প্রজাতি নির্বাচন। সব জায়গায় একই ধরনের গাছ লাগানো কোনোভাবেই কার্যকর পরিকল্পনা হতে পারে না। রাস্তার পাশে যে প্রজাতি ভালো বেড়ে ওঠে, জলাভূমির পাশে সেটি নাও টিকতে পারে। আবার উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা সহনশীল গাছ দরকার। নগর এলাকায় প্রয়োজন ছায়াদানকারী ও পরিবেশবান্ধব গাছ, যেগুলোর শিকড় ও শাখা-প্রশাখা ভবন, বিদ্যুৎ লাইন কিংবা সড়কের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে না।
অর্থাৎ বৃক্ষরোপণ হতে হবে ‘এক জায়গায় এক প্রজাতি’ ধরনের নির্বিচার কর্মসূচি নয়; বরং স্থান, মাটি, জলবায়ু ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা। দেশীয় প্রজাতির গাছকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার। স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোজিত গাছ সাধারণত জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃক্ষরোপণের সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালকে চারা রোপণের উপযোগী সময় হিসেবে বিবেচনা করা হলেও শুধু বর্ষায় গাছ লাগিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। রোপণের পর বৃষ্টিপাত কমে গেলে চারার জন্য পানির ব্যবস্থা করতে হবে। শুকনো মৌসুমে পানি না পেলে অনেক চারা মারা যায়। তাই একটি বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের বাজেটে রোপণের পাশাপাশি পরিচর্যা, পানি ও সুরক্ষার ব্যয়ও বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
এখানে সরকারি প্রকল্পের জবাবদিহির বিষয়টিও সামনে আসে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান যদি এক লাখ চারা রোপণের প্রকল্প নেয়, তাহলে প্রকল্পের মূল্যায়ন শুধু রোপণের সংখ্যার ভিত্তিতে হওয়া উচিত নয়। এক বছর পর কত শতাংশ চারা জীবিত, দুই বছর পর কত শতাংশ এবং তিন বছর পর কত শতাংশ গাছ টিকে আছে—এমন সূচক নির্ধারণ করা যেতে পারে। জীবিত গাছের হারকে প্রকল্পের সাফল্যের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও পরিচর্যার দিকে মনোযোগ দিতে বাধ্য হবে।
একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রচারণার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণের প্রবণতাও কমানো প্রয়োজন। একজন জনপ্রতিনিধি বা কোনো সংগঠনের নেতা গাছ লাগিয়ে ছবি তুললেন—এটি ভালো উদ্যোগ হতে পারে। কিন্তু সেই ছবি যেন কর্মসূচির শেষ দৃশ্য না হয়। বরং গাছটির পরবর্তী পরিচর্যা কীভাবে হবে, সেটিই হওয়া উচিত মূল প্রশ্ন।
আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও এই ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কেন্দ্র হতে পারে। শিক্ষার্থীদের হাতে শুধু চারা তুলে না দিয়ে ‘একজন শিক্ষার্থী, একটি গাছ’ কিংবা ‘একটি শ্রেণি, একটি বাগান’ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষার্থীরা গাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করবে, পানি দেবে, গাছের উচ্চতা মাপবে এবং তথ্য সংরক্ষণ করবে। এতে পরিবেশ সচেতনতা যেমন বাড়বে, তেমনি বৃক্ষরোপণ একটি বাস্তব শিক্ষার অংশ হয়ে উঠবে।
শহর ও মফস্বলের সড়ক বিভাজক, খালি সরকারি জমি, খালপাড়, নদীর তীর ও পতিত জায়গাগুলোও পরিকল্পিতভাবে সবুজায়নের আওতায় আনা যেতে পারে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে গাছ লাগিয়ে পরে রাস্তা প্রশস্তকরণ, ড্রেন নির্মাণ কিংবা ভবন তৈরির সময় সেগুলো নির্বিচারে কেটে ফেলার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। একদিকে গাছ লাগানো, অন্যদিকে পুরোনো গাছ কেটে ফেলা—এমন দ্বৈত নীতি পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিকতার পরিবর্তন। বৃক্ষরোপণ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিনিয়োগ। আজ যে চারাটি লাগানো হচ্ছে, তার সুফল হয়তো আগামী পাঁচ, দশ কিংবা বিশ বছর পর পাওয়া যাবে। তাই এর মূল্যায়নও তাৎক্ষণিকভাবে করা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কেবল সংখ্যার খেলায় পরিণত হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, গাছের জীবন মানুষের মতোই যত্ননির্ভর। মাটিতে পুঁতে দিলেই তার দায়িত্ব শেষ হয় না। পানি দিতে হয়, আগাছা পরিষ্কার করতে হয়, ঝড়-বৃষ্টি ও পশুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হয়। প্রয়োজন হলে মাটি শক্ত করে দিতে হয়, খুঁটি দিতে হয়। একটি চারাকে গাছ হতে সময় দিতে হয়। এই সময়টুকু যদি আমরা দিতে না পারি, তাহলে হাজার হাজার চারা রোপণের আয়োজনও শেষ পর্যন্ত অর্থহীন হয়ে পড়বে।
তাই এখন থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্লোগান হওয়া উচিত—‘গাছ লাগাই, গাছ বাঁচাই’। শুধু রোপণ নয়, পরিচর্যাকে করতে হবে কর্মসূচির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সরকারি-বেসরকারি সব প্রকল্পে রোপণের পাশাপাশি অন্তত কয়েক বছরের রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা থাকতে হবে। নির্দিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে। থাকতে হবে নিয়মিত তদারকি, তথ্য সংরক্ষণ এবং ফলাফল প্রকাশের ব্যবস্থা।
পরিবেশ রক্ষার নামে শুধু চারা রোপণের উৎসব নয়, আমাদের দরকার দীর্ঘস্থায়ী সবুজায়ন। দরকার এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে একটি চারা মাটিতে পোঁতার পর কেউ তার দায়িত্ব নেবে, তার বেড়ে ওঠা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে তাকে রক্ষা করবে।
কারণ প্রকৃত সাফল্য গাছ লাগানোর সংখ্যায় নয়—গাছের ছায়ায়।
আর সেই ছায়া পেতে হলে আজকের চারাটিকে বাঁচাতে হবে। পরিচর্যা নিশ্চিত না করে শুধু রোপণের সংখ্যা বাড়ালে তা পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় অর্থ, শ্রম ও সম্ভাবনার অপচয়। এখন সময় এসেছে বৃক্ষরোপণের হিসাবের পাশে বৃক্ষপরিচর্যার হিসাবও বাধ্যতামূলক করার। তাহলেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকতা থেকে বেরিয়ে সত্যিকারের পরিবেশ আন্দোলনে পরিণত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন