• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
জাতীয় যাকাত সংগ্রহে শীর্ষে ডিসি ফরিদা খানম ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরখাস্ত মেঘনায় যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল :”একটা একটা লীগ ধর -ধইরা ধইরা জেলে ভর ” শ্লোগানে মুখরিত মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল মেঘনায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ মেঘনায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান, মাঠে থাকার নির্দেশনা বিএনপির মেঘনায় কালভার্ট আছে, সড়কে সংযোগ নেই

সন্তান জন্ম দিলো ধর্ষণের শিকার কিশোরী

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৫৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০

১৬ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এক কিশোরী (১৬)। ওই কিশোরী রোববার (১৫ নভেম্বর) ভোরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তান জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার মদন উপজেলার ঘাটুয়া গ্রামে।

পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার কিশোরীর সঙ্গে প্রতিবেশী নয়ন তালুকদারের ছেলে রবি মিয়ার (১৮) প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই মধ্যে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে রবি। পরে কিশোরীর শারীরিক গঠন পরিবর্তন ঘটতে থাকলে প্রেমিক রবি মিয়াকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় সে। কিন্তু বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় রবি।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে ওই কিশোরী। পরে ১৯ জুন ধর্ষক রবি মিয়াকে গ্রেপ্তার করে মদন থানার পুলিশ। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার কিশোরী বলেন, আমি আমার সন্তানের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি সন্তানের নিরাপত্তাসহ তার বাবার স্বীকৃতি চাই।

কিশোরীর বাবা বলেন, রোববার ভোর পাঁচটায় আমার মেয়ে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেছে। আমরা গরীব মানুষ কি করব ভেবে পাচ্ছি না। ছেলের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমার মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আমার মেয়ে এবং নাতির সামাজিক স্বীকৃতি চাই।

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম জানান, আমি বিষয়টি জানি না। তবে ডিসেম্বরের ৫ তারিখে সন্তান প্রসবের সময় ছিল। তা ছাড়া আমি নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি।

এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান মো. জসিম।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন