• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালের উপকরণ পরিবহনের অভিযোগে ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ চট্টগ্রামে ডিডিএন কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় সরকারের হস্তক্ষেপ চায় আইএসপিএবি স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে অসহায় দুস্থদের মাঝে রাতের খাবার বিতরণ নাজমুল মোস্তাফা আমিনের নির্দেশনায় লোহাগাড়ায় ১০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ গজারিয়ায় এক রাতে ডাকাতি-চুরি, ১০ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি কুতুবদিয়ায় ট্রলারডুবি: ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার, জীবিত ফিরলেন ৭ মেঘনায় ফার্নিচারের দোকানে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ১ রথযাত্রায় কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কুমিল্লা জেলা পুলিশ দাউদকান্দি-বাউশিয়া নদীবন্দরে বিআইডব্লিউটিএর কমিটি গঠন

মেঘনা উপজেলা প্রশাসকের দৌড়ে এগিয়ে রমিজ লন্ডনী

বিপ্লব সিকদার / ১১৬৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির সাবেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন লন্ডনী। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্বে সম্ভাব্য নেতৃত্বের দৌড়ে তিনি এগিয়ে আছেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতার কারণেই এমন আলোচনা জোরালো হয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রমিজ উদ্দিন লন্ডনী রাজনীতিতে একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ধাপে ধাপে তিনি মেঘনা উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বে উঠে আসেন। দলীয় দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিকবার জেল-জুলুম, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। এমনকি রাজনৈতিক সহিংসতায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং এসিড নিক্ষেপের মতো নৃশংস ঘটনারও শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তার ঘনিষ্ঠরা।নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, কঠিন সময়েও দল ও জনগণের পাশে থাকার কারণে রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে। বিগত সময়ে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি কখনো এলাকা ছেড়ে যাননি। বরং প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেওয়া, সামাজিক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত থাকা এবং দলীয় কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তরুণ থেকে শুরু করে প্রবীণ সব বয়সী মানুষের মধ্যেই তার একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বিলাসবহুল জীবনযাপন পরিহার করে তিনি সাদামাটা জীবনধারা অনুসরণ করেন, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করেন এবং যে কোনো সমস্যায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করেন।মেঘনার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের এক বিএনপি কর্মী বলেন, “রমিজ ভাই শুধু নেতা না, তিনি আমাদের অভিভাবক। দুঃসময়ে তিনি কখনো আমাদের ছেড়ে যাননি। তাই আমরা মনে করি, তার মতো ত্যাগী নেতাই প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন।”
অন্যদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মেঘনা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের লড়াই চলছে। এ পরিস্থিতিতে একজন গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রমিজ উদ্দিন লন্ডনী সেই জায়গায় নিজেকে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন বলেই তাকে নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।
তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে কে আসবেন, তা নির্ভর করবে দলীয় নীতি ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর। তারপরও তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থন ও জনপ্রিয়তা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর ঘনিষ্ঠদের মতে, তিনি সবসময় ক্ষমতার চেয়ে দায়িত্বকে বড় করে দেখেন। তার লক্ষ্য মেঘনাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী উপজেলায় রূপান্তর করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার পরিকল্পনা করে আসছেন।এদিকে সাধারণ জনগণের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে যিনি মাঠে থেকে কাজ করেছেন, তারাই প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। সেই বিবেচনায় রমিজ উদ্দিন লন্ডনীকে এগিয়ে রাখছেন তারা। মেঘনা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে রমিজ উদ্দিন লন্ডনী এখন আলোচনার শীর্ষে। তার অতীত সংগ্রাম, বর্তমান সক্রিয়তা এবং তৃণমূলের সমর্থন তাকে সম্ভাব্য নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যতে এই আলোচনার বাস্তব প্রতিফলন কতটা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন