• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় শিক্ষিকার বাসায় ১৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি, যুবক কারাগারে মিমের মৃত্যুরহস্য: ডিজিটাল আলামতে মিলতে পারে সূত্র মেঘনায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪ পরীক্ষার্থী মেঘনায় ভোরে আঞ্চলিক সড়কে নারীর মরদেহ উদ্ধার বালতি দিয়ে মেপে জিআর চাল বিতরণে প্রশ্ন উঠেছে মেঘনায় চায়ের দোকানে গাঁজা বিক্রি করা সেই রিপন কারাগারে মাদকের আগ্রাসনে নীরবতা ভাঙার এখনই শেষ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা :বাবুরহাট–মতলব বেড়ীবাঁধ–দাউদকান্দি সড়ক ১০.৩০ মিটার প্রশস্ত করার উদ্যোগ মেঘনার মুগার চর কে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মেঘনায় ডাকবাংলোর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক

মেঘনায় শিক্ষিকার বাসায় ১৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি, যুবক কারাগারে

মেঘনা প্রতিনিধি / ৮২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বাসায় দিনের বেলায় চুরির ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩ জুন) থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) শহীদুল  ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মেঘনা থানায় দায়ের করা মামলা নং-০৩, তারিখ ২ জুলাই ২০২৬, (ধারা ৩৮০/৪৫৪, পেনাল কোড) মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম মো. রাব্বি (১৯)। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাটেরচর ইউনিয়নের বড়ইকান্দি গ্রামের শাহজাহান বেপারীর ছেলে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী পেশায় একজন স্বাস্থ্য সহকারী এবং তার স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। গত ১ জুলাই সকালে তারা কর্মস্থলে এবং সন্তানরা স্কুলে যাওয়ার পর বাড়ি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে চোরেরা বসতঘরের পূর্ব পাশের দরজার খিল খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে কাঠের আলমারির তালা ভেঙে সেখানে থাকা প্রায় সাড়ে ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার—তিনটি চেইন, তিনটি আংটি ও দুই জোড়া কানের দুল—চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চুরির সময় বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক প্রতিবেশী অভিযুক্ত রাব্বিকে ঘটনাস্থলের সামনে দেখে তার উপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি পায়খানার অজুহাত দেন। পরে আরও দুই প্রতিবেশী তাকে ওই এলাকা থেকে চলে যেতে দেখেন এবং শনাক্ত করেন।
দুপুরে বাদীর ছেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ঘরের দরজা খোলা ও ভেতরের মালামাল এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়। পরে বাদী ও তার স্ত্রী বাড়িতে এসে আলমারি ভাঙা এবং স্বর্ণালংকার চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন।
মেঘনা থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) আকতারুজ্জামান আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও চুরি হওয়া স্বর্ণ কোথায় রেখেছেন বা কার কাছে বিক্রি করেছেন, সে বিষয়ে অসংলগ্ন তথ্য দিয়েছেন। ফলে এখন পর্যন্ত চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার পাশাপাশি তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন। এ ছাড়া চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের স্বার্থে পরবর্তীতে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হতে পারে। এসব বিবেচনায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
মেঘনা থানা ওসি শহীদুল ইসলাম  জানিয়েছে, চুরির ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন